নন্দীগ্রামে উমফানের ক্ষতিপূরণে দুর্নীতি নিয়ে দলীয় প্রধানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ তৃণমূলের

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: উমফানে ক্ষতিপূরণ নিয়ে এবার দুর্নীতি ও স্বজনপোষণের অভিযোগ উত্তাল হল পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম। নন্দীগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের মহম্মদপুর গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে এ নিয়ে স্মারকলিপি জমা দিয়ে বিক্ষোভ দেখাল খোদ শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসই। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। ঘটনাস্থলে যায় নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ।

    উমফানে ক্ষতিপূরণ দেওয়া ছাড়াও দলের পঞ্চায়েত প্রধানের নামে আরও কয়েক দফা অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস নিজেই।

    মহম্মদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শেখ হাবিবুরকে ঘিরে বুধবার প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে বিক্ষোভ চলে। তারপরে তৃণমূলের পাঁচ নম্বর বুথ কমিটির সভাপতি নূর আহমেদ বলেন, “দলের সরকার পর্যাপ্ত পরিমাণে মালপত্র দিচ্ছে কিন্তু নিচুতলার দলীয় নেতা, পঞ্চায়েত প্রধান এবং পঞ্চায়েতের সদস্যরা সে সব লুটেপুটে খাচ্ছে। এদের এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা আজ সোচ্চার হয়েছি। এরা স্বজনপোষণ করছে। নিজের লোককে টাকা পাইয়ে দিচ্ছে। এদের অবিলম্বে সেই সব টাকা ফেরত দিতে হবে। সেই টাকা প্রকৃত প্রাপকদের দিতে হবে।”

    গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শেখ হাবিবুর বলেন, “আমাকে টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। প্রত্যেকেই এখানে আবেদন করতে পারেন। সে পাকা বাড়ির জন্য হতে পারে আবার কাঁচা বাড়ির জন্যও হতে পারে। যাঁরা আগে আবেদন করেছেন তাঁরা টাকা পেয়েছেন। কাঁচাবাড়ি যাঁদের আছে এবং ইতিমধ্যে আবেদন করেছেন তাঁরাও টাকা পাবেন।” গ্রামপঞ্চায়েত প্রধান ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে পুলিশ মধ্যস্থতা করে বিক্ষোভ তুলে দেয়। পুলিশকে পঞ্চায়েত প্রধান জানান যে তিনি খুব শীঘ্রই উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবেন যাতে এলাকার লোকজন ক্ষতিপূরণ পান।

    উমফানের ক্ষতিপূরণের টাকা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে এখন জর্জরিত তৃণমূল কংগ্রেস। এই টাকা বণ্টনে স্বজনপোষণের অভিযোগ ও বিক্ষোভ এমন পর্যায়ে চলে যায় যে দলীয় কর্মীদের চেতাবনি দেন মুখ্যমন্ত্রী নিজে। দুর্নীতি দেখলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তৃণমূল কংগ্রেসও দলীয় ভাবে জেলা পরিষদের সভাপতিদের নির্দেশ দেয়। বিভিন্ন জায়গায় পঞ্চায়েত প্রধান-সহ বেশ কয়েক জন জনপ্রতিনিধিকে পদত্যাগ করতে হয়। কোথাও দল থেকে বের করে দেওয়া হয়। তবে বুধবার মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, সিপিএমের আমলে একশো শতাংশই দুর্নীতি হত। উমফানে ছোট কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। সাত থেকে আট শতাংশ দুর্নীতি হয়েছে।

    ইতিমধ্যে কয়েক জায়গায় টাকা ফেরানোর কথা জানা গেছে। তাঁদের কলঙ্কিত করার জন্য লোকে অ্যাকাউন্টে টাকা দিয়ে দিয়েছে বলে কয়েক জন তৃণমূল নেতা দাবি করেছেন।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More