সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৩

প্রধানমন্ত্রীর সর্বদল বৈঠকে গেল না কংগ্রেস, মমতার পথেই বয়কট মায়া-অখিলেশ-স্ট্যালিনদের

  • 19
  •  
  •  
    19
    Shares

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ বিষয়ক প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ডাকা সর্বদলীয় বৈঠকে শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন, গর হাজির থাকলেন একাধিক বিরোধী নেতা। বৈঠকে গেলেন না কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী, বিএসপি নেত্রী মায়াবতী, সমাজবাদী পার্টি নেতা অখিলেশ যাদব, ডিএমকে নেতা এমকে স্ট্যালিনের মতো একাধিক বিরোধী নেতা উপস্থিত হলেন না বৈঠকে।

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও, তেলুগু দেশম পার্টি প্রধান চন্দ্রবাবু নায়ডু বৈঠকে না গেলেও প্রতিনিধি পাঠিয়েছিলেন।

‘এক দেশ এক নির্বাচন’ নিয়ে পরিকল্পনা বাস্তবে রূপায়ন করতে চান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গতবারই জি মিডিয়ায় সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, বারবার নির্বাচন হওয়ায়, সময় ও অর্থ দুটোই অপচয় হচ্ছে। থমকে যাচ্ছে উন্নয়নমূলক কাজ। তার সমাধান- বিধানসভা,  লোকসভা ও স্থানীয় পুরসভা বা পঞ্চায়েট ভোটগ্রহণ একসঙ্গে করা। সেই লক্ষ্যেই দ্বিতীয়বার সরকারে এসে সর্বদল বৈঠক ডাকেন মোদী। বুধবার বৈঠকে যোগ দেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার, ন্যাশনাল কনফারেন্স প্রধান ফারুক আবদুল্লা, অকালি দলের সুখবীর সিং বাদল, বিজেডি সুপ্রিমো তথা ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক, পিডিপি-র মেহবুবা মুফতি, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জগন্মোহন রেড্ডি। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন সর্বদল বৈঠকে ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, অমিত শাহের মতো একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

মায়াবতী দাবি করেছেন, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের পরিবর্তে ব্যালটে ভোট নিয়ে আলোচনা হলে নিশ্চিতভাবে বৈঠকে থাকতেন। ইভিএম এখন গনতন্ত্রের সবচেয়ে বড় বিপদ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করে জানিয়ে দেন, ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ নিয়ে এত অল্প সময়ে আলোচনা করা যায় না। এ নিয়ে সাংবিধানিক বিশেষজ্ঞ, নির্বাচনী বিশেষজ্ঞ ও সব দলের সদস্যদের সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত। শ্বেতপ্রকাশেরও দাবি করেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।

‘এক দেশ-এক ভোট’ বাস্তবায়িত করতে হলে সংবিধান সংশোধন প্রয়োজন। আর সেটা করতে হলে রাজ্যসভাতেও প্রতাব পাশ করাতে হবে মোদীকে। পর্যবেক্ষকদের মতে, যেহেতু এখনও রাজ্যসভায় নরেন্দ্র মোদীর সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই, তাই বিরোধীদের পাশে পেতে চাইছেন তিনি।

Comments are closed.