সোমবার ঝাড়গ্রামে মোদী-মমতা, সংঘর্ষ এড়াতে বাড়তি সতর্কতা প্রশাসনের

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঘূর্ণিঝড় ফণীর আশঙ্কায় দু’জনেরই নির্বাচনী সভা পিছিয়েছে। শুক্র, শনিবার নিজের সভা বাতিল করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভাও রবিবারের জায়গায় পিছিয়ে হয়েছিল সোমবার। ঘটনাচক্রে সোমবার মমতা-মোদী দু’জনেরই সভা ঝাড়গ্রাম জেলায়। দুটি সভাস্থলের মধ্যে দূরত্ব মাত্র ৩৭ কিলোমিটার। আর তাই সভার আগে থেকেই শুরু হয়েছে তরজা। তাদের সভায় লোক বেশি হবে, দাবি করছে দু’পক্ষই। আর এই পরিস্থিতিতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তৎপর প্রশাসন।

    সোমবার প্রধানমন্ত্রীর সভা রয়েছে ঝাড়গ্রাম শহরের বুকে ঝাড়গ্রাম স্টেডিয়ামে। বিজেপি সূত্রে খবর, মোদীর সভায় যোগ দিতে নয়াগ্রাম, গোপীবল্লভপুর, জামবনি, লালগড়, বেলপাহাড়ির মতো প্রত্যন্ত এলাকা থেকে লোক আসবে। এ ছাড়াও ঝাড়গ্রাম লোকসভার অন্তর্গত পুরুলিয়ার বান্দোয়ান বিধানসভা কেন্দ্র এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতা ও শালবনি বিধানসভা কেন্দ্রের কর্মী সমর্থকরাও ভিড় জমাবেন। ফলে মাঠ উপচে পড়বে বলেই দাবি বিজেপি জেলা নেতৃত্বের।

    অন্যদিকে প্রায় একই সময়ে গোপীবল্লভপুড়ে সভা রয়েছে মমতার। তৃণমূল জেলা নেতৃত্বের দাবি, তাদের সভাতে উপচে পড়বে লোক। রবিবার বেলপাহাড়িতে ছিল মমতার সভা। সূত্রের খবর, এই সভার জন্য আগে থেকেই সব বাস তুলে নিয়েছে শাসকদল। সরকারি বাস ছাড়া অন্য বাসের দেখা মিলছে না রাস্তায়। তৃণমূলের দাবি, মোদীর সভা খাঁ খাঁ করবে। কারণ, বিজেপিকে কেউ বাস দেয়নি। লোক যাবে কী করে। তৃণমূলের কটাক্ষ শেষ পর্যন্ত মাঠ ভরাতে ঝাড়খন্ড থেকে বাস ও লোক নিয়ে আসতে হবে বিজেপিকে।

    তবে বাস নয়, প্রশাসনের চিন্তা অন্য জায়গায়। একই দিনে মমতা ও মোদীর সভার জন্য কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে যাতে সংঘর্ষ না হয়, তার জন্যই ব্যবস্থা নিচ্ছে প্রশাসন। গোপীবল্লভপুরকে এক কথায় বিজেপির গড় বলা যায়। এ বারের পঞ্চায়েত ভোটেও এই এলাকার প্রায় সব কটি গ্রাম পঞ্চায়েত ও গোপীবল্লভপুর ব্লক রয়েছে বিজেপির দখলে। আর সেখানেই সোমবার মমতার সভা। তাই এই সভায় যোগ দিতে তৃণমূল সমর্থকরা সেখানে আসবেন। অন্যদিকে আবার মোদীর সভায় যোগ দিতে গোপীবল্লভপুর, নয়াগ্রাম প্রভৃতি এলাকার বিজেপি সমর্থকরা ঝাড়গ্রাম যাবেন। এই পরিস্থিতিতে রাস্তায় যাতে দু’দলের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ না হয়, তার জন্য বাড়তি সতর্কতা নিচ্ছে প্রশাসন।

    এই ব্যাপারে ঝাড়গ্রাম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের আহ্বায়ক উজ্জ্বল দত্ত বলেন , “মুখ্যমন্ত্রীর সভায় মানুষের ভিড় উপচে পড়বে। আমাদের কর্মী সমর্থকরা কখনও কোন প্রকার ঝুট ঝামেলায় জড়ায় না । আশা করি কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবে না ।”  অন্যদিকে ঝাড়গ্রাম জেলার বিজেপি সভাপতি সুখময় সতপতি বলেন, “প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যেই কাজ করতে হয়েছে কর্মীদের। কাজ প্রায় শেষের পথে। সোমবার ঝাড়গ্রামে দেখা যাবে মোদী ঝড়। পুরো জঙ্গলমহলের মানুষ মোদীকে দেখার আশায় রয়েছেন। তাই কালকের সভায় যে কোনও উপায়ে মানুষ আসবে। বাস না পেলে প্রয়োজনে পায়ে হেঁটেও মানুষ আসবে। সভায় লোক আনার জন্য পর্যাপ্ত বাস আমাদের আছে।”

    আরও পড়ুন

    পঞ্চম দফায় কেন্দ্রীয় বাহিনী বেড়ে ৫৩০ কোম্পানি, ব্যারাকপুরের জন্য অতিরিক্ত আধাসেনা

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More