হাওড়া স্টেশনে উদ্ধার ৭৫ লাখ টাকা, লোকাল ট্রেন বন্ধ থাকার সুযোগে পাচারের চেষ্টা!

১,৬০৫

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা সংক্রমন ও তার জেরে লকডাউনের পরে ধীরে ধীরে সব পরিষেবা চালু হলেও এখনও রেল পরিষেবা স্বাভাবিক হয়নি। ধীরে ধীরে দূরপাল্লার কিছু ট্রেন চলাচল শুরু করলেও লোকাল ট্রেন পরিষেবা এখনও বন্ধ রয়েছে। আর তার ফলে স্টেশনগুলি কার্যত ফাঁকাই রয়েছে। আর এই ফাঁকা স্টেশন কাজে লাগিয়ে চলছে টাকা পাচার। হাওড়া স্টেশন থেকে উদ্ধার হয়েছে ৭৫ লাখ টাকা।

জানা গিয়েছে, হাওড়া স্টেশনের ১৪ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে উদ্ধার হয়েছে এই টাকা। আরপিএফ উদ্ধার করেছে এই টাকা। ১৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দুটি ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখেন আরপিএফ কর্মীরা। ব্যাগের দাবিদার হিসেবে কাউকে পাওয়া যায়নি। তারপরেই ব্যাগ খুলে দেখা যায় তার মধ্যে টাকা ও সোনার গয়না রয়েছে। গুণে দেখা যায় মোট ৭৫ লাখ টাকা রয়েছে সেখানে। কিন্তু সেই টাকা ও সোনার কোনও দাবিদার পাওয়া না যাওয়ায় তা নিজেদের হেফাজতে রেখেছে আরপিএফ।

রেল পুলিশ সূত্রে খবর, প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে পাটনা হাওড়া জনশতাব্দী এক্সপ্রেসে করে নিয়ে আসা হয়েছিল ওই দুটি ব্যাগ। কিন্তু স্টেশনে নামার পরে নিরাপত্তার কড়াকড়ি দেখে যারা ব্যাগ নিয়ে এসেছিল তারা সেই ব্যাগ ফেলেই চম্পট দেয়। মনে করা হচ্ছে ব্যাগের মধ্যে থাকা ৭৫ লাখ টাকা হাওয়ালার টাকা। আর তাই ভয়ে সেই ব্যাগ ফেলে পালায় তারা। আপাতত সেই টাকা ও গয়না আরপিএফের হেফাজতে রয়েছে। পুজোর পরে সেই টাকা আয়কর দফতরের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলেই জানিয়েছে তারা।

পুজো প্রায় পেরিয়ে গেলেও এখনও লোকাল ট্রেন পরিষেবা কবে শুরু হবে সেটা নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত জানায়নি রেলমন্ত্রক। রবিবার বিকেলেও শিয়ালদহের ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার জানিয়েছেন, রাজ্যের অনুমতি না পেলে লোকাল ট্রেন চালানো সম্ভব নয়। কিন্তু রাজ্য এখনও রেলের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করেনি। তাই লোকাল ট্রেন পরিষেবা কবে শুরু হবে সেটা নিয়ে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না।

এদিকে লোকাল ট্রেন না চলায় বেশ কিছু স্টেশন প্রায় ফাঁকা। দু’একটি এক্সপ্রেস ট্রেন কিছু স্টেশনে দাঁড়াচ্ছে কিন্তু বেশিরভাগ স্টেশন ফাঁকা থাকছে। আর তাই এই ফাঁকা স্টেশনগুলিকে কাজে লাগিয়ে টাকা পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেই অনুমান পুলিশের। দূরপাল্লার ট্রেনগুলির মাধ্যমে এই টাকা পাচার করা হচ্ছে বলেই অনুমান পুলিশের। তাই এই টাকা উদ্ধারের পরে স্টেশনগুলিতে নিরাপত্তা আরও বাড়ানোর চিন্তাভাবনা করছে রেল।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More