উমফানের পর তিন দিনে রাজ্যে আরও ৩৫৬ জন করোনা আক্রান্ত, তবে সুস্থ হওয়ার হার আশাব্যঞ্জক

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: একদিকে উমফানে বিধ্বস্ত দক্ষিণবঙ্গ। তার মধ্যেই করোনা সংক্রমণও যেন কমার নাম নেই। দক্ষিণবঙ্গের উপকূলে উমফান ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়েছিল বুধবার। তার ফলে দুই চব্বিশ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, কলকাতা সহ বহু জেলায় এখনও যোগাযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন। তাই কোভিড টেস্টের সংখ্যাও বৃহস্পতি ও শুক্রবার তুলনামূলক ভাবে কম ছিল। কিন্তু দেখা গেল, গত তিন দিনে করোনাভাইরাসে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে তিনশ-রও বেশি বেড়েছে। এই তিন দিনে নতুন করে ৩৫৬ জন কোভিড আক্রান্তের সন্ধান মিলেছে।

    ইতিবাচক যে শনিবার স্যাম্পেল টেস্টের সংখ্যা ফের বেড়েছে। এদিন ৯০০৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। শনিবার ১২৭ জনের টেস্ট রেজাল্ট পজিটিভ এসেছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য ভবন। এর আগে শুক্রবার ১৩৫ জন ও বৃহস্পতিবার ৯৪ জন কোভিড পজিটিভ পাওয়া গিয়েছিল। ঝড়ের দিন অর্থাৎ বুধবার ৮৭২০ টি নমুনা পরীক্ষা করে নতুন ১৪২ জন কোভিড পাওয়া গিয়েছিল বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য ভবন।

     

    বাংলায় উমফানের তাণ্ডবের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি পরিদর্শনে আসেন। বাংলায় সফরে এসে তিনি বলেছিলেন, এক অদ্ভূত পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে চলেছি আমরা। করোনার জন্য বাড়ির বাইরে বেরোনো যাবে না। আবার ঘূর্ণিঝড়ের জন্য বাড়ির বাইরে গিয়ে একসঙ্গে থাকতে হবে।

    বিশেষজ্ঞরাও এ প্রসঙ্গে আশঙ্কার কথা বলছেন। উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় এমনিতেই করোনা সংক্রমণের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। উত্তর চব্বিশ পরগনায় ৪৪৭ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে, দক্ষিণে হয়েছেন ১২০ জন। কিন্তু এই দুই জেলাতেই কয়েক লক্ষ মানুষকে উমফানের জন্য সরিয়ে ত্রাণ শিবিরে রাখা হয়েছে। যেখানে সামাজিক বা শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে থাকাটাই কঠিন। কিন্তু তার মধ্যেও যতটা সাবধানে থাকা যায় সে জন্য নিরন্তর সতর্ক করে চলেছে প্রশাসন।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More