বুধবার, জানুয়ারি ২২
TheWall
TheWall

১৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসছে বাংলায়, উপনির্বাচনের দায়িত্বে পাঠাল কমিশন

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

দ্য ওয়াল ব্যুরো : কয়েক মাস আগে লোকসভা নির্বাচনে এ রাজ্যে দফায় দফায় কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠিয়েছিল কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। বুথের সংখ্যা যত বেড়েছে, ততই বেড়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যাও। এমনকি বেশ কিছু জেলায় তো ১০০ শতাংশ বুথে নিরাপত্তার দায়িত্ব ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর হাতেই। এবার রাজ্যের তিন বিধানসভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজ্যে ১৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন।

সূত্রের খবর, দিল্লি থেকে ইতিমধ্যেই এসে গেছে নির্দেশ। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচক আধিকারিকের দফতরকে বলা হয়েছে কড়া হাতে নির্বাচন পরিচালনা করার জন্য। সেই সূত্রে ইতিমধ্যে ৬ জন পর্যবেক্ষক এসেছেন রাজ্যে। জানা গিয়েছে, খুব তাড়াতাড়ি রাজ্যে আসতে চলেছে ১৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। অর্থাৎ প্রতি কেন্দ্রে ৫ কোম্পানি করে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের পুলিশ অবজারভাররা কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিষয়টি সরাসরি দেখবেন বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর। তাদের সঙ্গে থাকবে রাজ্যের সশস্ত্র বাহিনী এবং লাঠিধারী পুলিশ।

আগামী ২৫ নভেম্বর রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্র খড়্গপুর, করিমপুর ও কালিয়াগঞ্জে উপনির্বাচন। ইতিমধ্যেই এই তিন কেন্দ্রে নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে বিজেপি, তৃণমূল এবং বাম-কংগ্রেস জোট। এবারে তিন কেন্দ্রেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। 

কালিয়াগঞ্জের কংগ্রেস বিধায়ক প্রমথনাথ রায়ের অকাল মৃত্যুর কারণে এই আসনে উপনির্বাচন। অন্যদিকে তৃণমূলের মহুয়া মৈত্র এবং বিজেপির দিলীপ ঘোষ সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় যথাক্রমে করিমপুর এবং খড়্গপুর আসন দুটি খালি হয়। সেই সূত্রেই এই তিন বিধানসভায় উপনির্বাচন।

কালিয়াগঞ্জ এমনিতেই কংগ্রেসের দখলে ছিল। খড়্গপুর আসনটিও বরাবর কংগ্রেসের দখলে ছিল। তবে গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এই কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হন। এই আসনটি পুনরুদ্ধার করার বিষয়ে আশাবাদী কংগ্রেস-বামফ্রন্ট জোট। যদিও গত লোকসভা নির্বাচনের ফলের দিকে তাকিয়ে বিজেপি আবার এই আসনটি পেতে মরিয়া।

অন্যদিকে প্রথমবারের জন্য খড়্গপুর দখল করতে চায় তৃণমূল। মাঠে নেমেছেন খোদ শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি লোকসভা ভোটের নিরিখে রাজ্যের শাসক দল পিছিয়ে রয়েছে কালিয়াগঞ্জে। সেটিও দখল করতে চায় তারা। নদিয়ার করিমপুর কেন্দ্র নিয়েও চলছে তাল ঠোকাঠুকি। এই পরিস্থিতি চড়ছে পারদ। তাই শান্তিপূর্ণ ভোটের জন্য মরিয়া নির্বাচন কমিশন। সেই জন্যই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।

Share.

Comments are closed.