মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৭

ফের ধাক্কা খেল বিজেপি, তৃণমূলে ফিরলেন নৈহাটির ১০ কাউন্সিলর

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কাঁচরাপাড়া, হালিশহর, বনগাঁ, হরিণঘাটার পর এ বার নৈহাটি পুরসভা। বিজেপি-তে চলে যাওয়া ১০ কাউন্সিলর ফিরলেন তৃণমূলে। ফিরে আসা কাউন্সিলরদের পাশে নিয়ে রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম জানিয়ে দিলেন, এ বার একসঙ্গে দুর্গাপুজো করব। অঞ্জলি দেব।

গত ২৯ মে নৈহাটি পুরসভার ১৮জন কাউন্সিলর দিল্লিতে গিয়ে বিজেপি-তে যোগ দিয়েছিলেন। ১৫ সালের পুর ভোটে নৈহাটি ছিল বিরোধী শূন্য। ৩১টি ওয়ার্ডই ছিল তৃণমূলের দখলে। কিন্তু ১৮জন বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার পর সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায় তৃণমূল। তার পরই ওই পুরসভায় প্রশাসক বসিয়ে দেয় নবান্ন।

এ দিন তৃণমূলে ফেরা কাউন্সিলরদের পাশে নিয়ে ববি হাকিম বলেন, “যাঁরা বাংলার মাঠে ঘাটে মানুষের জন্য কাজ করেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শ নিয়ে চলেছেন, তাঁরা কেউ ওই পরিবেশে গিয়ে পোষাতে পারবেন না।” পুরমন্ত্রীর অভিযোগ, কারও বাচ্চাকে মেরে, বাড়িতে ভাঙচুর করে বিজেপি-তে নিয়ে গিয়েছিল। এ দিন নৈহাটির বিধায়ক পার্থ ভৌমিক ও মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে পাশে বসিয়ে পুরমন্ত্রী বলেন, “আজকে এঁরা তৃণমূলে ফিরবে শুনে অর্জুন বাহিনী ওখানে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করতে চেষ্টা করেছিল। উমেশ সিং নামের আমাদের এক কর্মীকে বোতল ভেঙে মাথায় ঢুকিয়ে দিয়েছে।”

ভোটের পর থেকে যে ভাবে পুরসভার বোর্ড দখল শুরু করেছিল গেরুয়া বাহিনী, তার গতি দেখে অনেকেই কপাল কুঁচকেছিলেন। কিন্তু তিন মাসের মধ্যেই খেলা ঘোরাতে শুরু করে.দিল তৃণমূল। পর্যবেক্ষকদের মতে, এটা বিজেপি-র কাছে রাজনৈতিক ধাক্কা। তাঁদের কথায়, এ বার অনেকেই মনে করতে পারে বিজেপি দল ভাঙালেও ধরে রাখার ক্ষমতা নেই।

ইতিমধ্যেই উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেছেন, “পুজোর পরই ভাটপাড়া আর গারুলিয়া পুরসভা পুনর্দখল হবে।” এখন পদ্ম ফুটে যাওয়া আর কোন কোন বোর্ডে ফের ফোটে জোড়াফুল।

Comments are closed.