ইস্টবেঙ্গল ছাড়ছে কোয়েস! ক্লাব বলছে, আমরা তো কিছু জানিই না

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: শতবর্ষ উদযাপনের শুরুর দিনই সব চোখ টেনে নিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল জার্সিতে স্পন্সরের নাম। কোয়েস নেই। শুধুই কিংফিশার। তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে সংবাদমাধ্যমে মুখ খুলেছেন কোয়েস কর্তা অজিত আইজ্যাক। বলেছেন, এই কর্মকর্তাদের সঙ্গে কাজ করা যায় না। এই পরিস্থিতিতে ইস্টবেঙ্গল কর্তারা অবশ্য বলছেন, এমন কিছু তাঁরা জানেনই না। কোনও তথ্য নেই ক্লাবের কাছে।

কোয়েসের সঙ্গে যে ক্লাব কর্তাদের সম্পর্ক ভাল যাচ্ছে না, তা গত কয়েক মাসে বারবার সামনে এসেছে। বোর্ড অফ ডিরেক্টরসের মিটিং হয় না, কোচ আসেন না তাঁবুতে, ইত্যাদি নানান ইস্যুতে ইস্টবেঙ্গল কর্তারা বেজায় বিরক্ত। এ মরশুমে ডুরান্ডে দ্বিতীয় দল খেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েও একপ্রস্ত লড়াই হয় বিনিয়োগকারী সংস্থা এবং ক্লাবের। সে সবের পরও অনেকেই ভেবেছিলেন বোধহয় মিটে যাবে। কিন্তু অজিত আইজ্যাকের বক্তব্য স্পষ্ট করে দিয়েছে, বিদায় আসন্ন।

ইস্টবেঙ্গল কর্তা শান্তিরঞ্জন দাশগুপ্ত বলেন, “কোয়েস যে চলে যাচ্ছে এমন কিছু জানি না। ওরা ক্লাবকে এমন কিছুই বলেনি। কেউ কাউকে ব্যক্তিগত ভাবে কী বলল জানি না। তবে ক্লাবের কাছে এ ব্যাপারে কোনও তথ্য নেই।”

শতবর্ষের জার্সিতে কিংফিশার লেখার পরেই টনক নড়েছে সকলের। যার সঙ্গে ক্লাবের কোনও সম্পর্ক নেই, তার নাম কেন, এ নিয়ে বিস্তর প্রশ্ন উঠছে। এর মধ্যেই শোনা যাচ্ছে বেঙ্গালুরুতে কিংফিশার কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করতে সোমবার সকালের বিমানে উড়ে গিয়েছেন ক্লাবের এক শীর্ষ কর্তা। গত কয়েক দিন ধরে ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে অন্য কথা। চুলোভার মোহনবাগানে সই করা নিয়ে, ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের অনেক ঘনিষ্ঠরাই বলতে শুরু করেছেন, ‘মোহনবাগানের টিম কোয়েস করে দিচ্ছে।’ এ দিকে আবার শোনা যাচ্ছে গত মরসুমের সেরা খেলোয়াড় ডানমাওয়াইয়া রালতেও নাকি বাগানের পথে। ১ অগস্ট প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে তাঁর পুরস্কার নিতে আসার কথা। অনেকে বলছেন, মোহনবাগানে সই করেই হয়তো ইস্টবেঙ্গলের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন ডানমাওয়াইয়া।

গত শনিবার বিকেলে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে একটি মেল আসে কোয়েসের তরফে। শীর্ষ কর্তা দেবব্রত সরকারের কাছে সেই ই-মেলের প্রিন্ট আউট এনে ক্লাবের এক অফিস স্টাফ বলেন, “দাদা, কোয়েস আপনাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা জানতে চেয়েছে!” প্রিন্ট আউটের কাগজটি হাতে নিয়ে নিতু সরকার হাসতে হাসতে বলেন, “তাহলে তো আমাকে সেই কর্পোরেশন স্কুলে যেতে হবে!”

তবে সমর্থকদের মধ্যে প্রশ্ন, এখন যদি কোয়েস ক্লাব ছেড়ে চলে যায়, তাহলে বিকল্প কী? ক্লাবের হাতে কি স্পন্সর আছে? শান্তিবাবু বলেন, “এ সব নিয়ে আমরা এখন কিছুই ভাবছি না।” যদিও অনেক কর্তাই ঘরোয়া আলোচনায় বলছেন, “যত তাড়াতাড়ি কোয়েস যায় তত মঙ্গল। নতুন স্পন্সর তৈরি আছে।” অন্যদিকে কোয়েস কর্তারাও চুক্তি পড়ছেন, কবে ছাড়া যায়। এক্ষুণি? নাকি ঘরোয়া লিগ আর ডুরান্ড শেষ হলে? নাকি এই মরসুম কাটিয়ে?

আরও পড়ার জন্য ক্লিক করুন www.thewall.in-এ

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More