বিনি পয়সার টিকিটে প্রথম ঢুকি এই মাঠে, আজ সেখানেই আমার নামে স্ট্যান্ড, নস্ট্যালজিক কোহলি

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিরাট কোহলিকে সম্মান জানাতে দিল্লির ফিরোজ শাহ কোটলা স্টেডিয়ামে একটি স্ট্যান্ড-এর নাম করা হয়েছে ভারতের ক্রিকেট অধিনায়ক বিরাট কোহলির নামে। ফিরোজ শাহ কোটলার নামও করা হয়েছে ভারতের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী সদ্যপ্রয়াত অরুণ জেটলির নামে। বৃহস্পতিবার একটি অনুষ্ঠানে এই সম্মান জানানো হয় জেটলি ও কোহলিকে। এই অনুষ্ঠানে নিজের বক্তব্য রাখতে গিয়ে নস্ট্যালজিক হয়ে পড়লেন বিরাট। বললেন, এই দিনটার কথা আমার সারাজীবন মনে থাকবে। সত্যিই অনেক দূর হেঁটে ফিরলাম।

    বৃহস্পতিবার ফিরোহ শাহ কোটলা স্টেডিয়ামের জিমখানাতে একটি অনুষ্ঠানে এই নামকরণ করা হয়। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিরাট কোহলি ছাড়াও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিখর ধাওয়ান, ঋষভ পন্থ, নবদীপ সাইনি, হার্দিক পান্ড্য, ক্রুণাল পান্ড্য, মনীশ পাণ্ডে, লোকেশ রাহুল, শ্রেয়স আইয়ার প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন অরুণ জেটলির স্ত্রী ও মেয়েও।

    এই অনুষ্ঠানে অমিত শাহের সঙ্গে একই সাথে বোতাম চেপে নিজের নামের স্ট্যান্ড উদ্বোধন করেন কোহলি। তারপরেই নিজের বক্তব্য রাখতে গিয়ে নস্ট্যালজিক হয়ে পড়লেন তিনি। বিরাট বলেন, “আমি কখনও ভাবিনি আমাকে এত বড় মাপের সংবর্ধনা দেওয়া হবে। আমি জানি না কীভাবে আমার স্ত্রী, পরিবারের সবাইকে সম্বোধন করব।” তিনি আরও বলেন, “২০০১ সালে জিম্বাবোয়ে সফরে আমার ছোটবেলার কোচ রাজকুমার শর্মা আমাকে দুটো টিকিট দিয়েছিলেন। আমার মনে আছে গ্যালারির ধারে দাঁড়িয়ে আমি জভগল শ্রীনাথের অটোগ্রাফ নিচ্ছিলাম। আমি আমার ভাইকে বলছিলাম, আমরা কতদূর চলে এসেছি। আর আজ আমার নামেই একটা স্ট্যান্ড করা হচ্ছে। এটা সত্যিই আমার কাছে খুব বড় সম্মান। আমার এতদিনের এই লড়াইয়ের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে।”

    এ দিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে অরুণ জেটলির প্রসঙ্গও তুলে আনেন কোহলি। তিনি বলেন, “অরুণজিকে হয়তো সবাই রাজনীতিবীদ হিসেবে চিনতেন। কিন্তু আমি তাঁকে চিনতাম একজন মানুষ হিসেবে। তিনি আমার বাবার মৃত্যুর পর আমার বাড়িতে এসে আমার মনোবল বাড়িয়েছিলেন। সেই সময় তিনি আমার পাশে ছিলেন। আমার এই জার্নিতে তিনি সবসময় আমার পাশে ছিলেন।”

    নিজের কথা বলতে গিয়ে যথেষ্ট ইমোশনাল দেখায় বিরাটকে। তাঁর বক্তব্য শুনে দর্শকাসনে বসে থাকা অনুষ্কা শর্মা ও পরিবারের বাকিদেরও ইমোশনাল হয়ে পড়তে দেখা যায়।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More