শনিবার, সেপ্টেম্বর ২১

শচীনকে রঞ্জি দলে নিয়েছিলেন, ৩০ বছর পর অর্জুনকে সুযোগ দিলেন সেই তিনিই

দ্য ওয়াল ব্যুরো : ১৯৮৮ সালে প্রথমবার মুম্বইয়ের রঞ্জি দলে সুযোগ পান শচীন রমেশ তেণ্ডুলকর। বাকিটা ইতিহাস। ৩০ বছর পর সেই মুম্বইয়ের রঞ্জি দলেই সুযোগ পেলেন শচীনের ছেলে অর্জুন তেণ্ডুলকর। আর বাবা-ছেলে দু’জনকেই প্রথমার মুম্বইয়ের রঞ্জি দলে নির্বাচন করলেন একই লোক। মিলিন্দ রেগে। মুম্বইয়ের প্রাক্তন রঞ্জি অধিনায়ক।

স্কুল ক্রিকেট খেলতে খেলতেই মুম্বইয়ে সবাই জেনে গিয়েছিল শচীন তেণ্ডুলকরের নাম। ১৯৮৮ সালের ডিসেম্বর মাসে মাত্র ১৫ বছর বয়সে গুজরাতের বিরুদ্ধে রঞ্জি অভিষেক হয় শচীনের। তার এক বছরের মধ্যেই জাতীয় দলে সুযোগ পান মাস্টার ব্লাস্টার। শচীনকে যে নির্বাচক কমিটি নির্বাচন করেছিল তার প্রধান ছিলেন নরেন তামহানে। তিনি মুম্বই ক্রিকেট অ্যাসোশিয়েশনের প্রধান নির্বাচক হলেও সেই কমিটির অন্যতম নির্বাচক ছিলেন মিলিন্দ রেগে। সেই মিলিন্দ বর্তমানে মুম্বই ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান নির্বাচক।

সম্প্রতি ভিজ্জি ট্রফির জন্য মুম্বইয়ের অনুর্ধ্ব ২৩ রঞ্জি দল নির্বাচন করা হয়েছে। সেই দলেই সুযোগ পেয়েছেন অর্জুন। মূলত পেস বোলার হিসেবেই দলে নেওয়া হয়েছে তাঁকে। ৫০ ওভারের এই ওপেন টুর্নামেন্টে মুম্বইয়ের রঞ্জি দলে সুযোগ পাওয়ার আগে মুম্বইয়ের হয়ে অনুর্ধ্ব ১৯ টুর্নামেন্ট  টি ২০ মুম্বই লিগে খেলেছেন অর্জুন। ৫ লক্ষ টাকায় তাঁকে কেনা হয়েছিল সেই লিগে।

অর্জুনের সুযোগ পাওয়ার ব্যাপারে মিলিন্দ জানিয়েছেন, “আমি জানি না, আর কোনও নির্বাচক বাবা-ছেলে দু’জনকেই এভাবে নির্বাচন করেছে কিনা। এটা হয়তো সত্যিই কাকতালীয়।” তবে তিনি সাফ জানিয়েছেন, নাম নয়, পারফরম্যান্স দেখেই নির্বাচন করা হয়েছে অর্জুনকে। মিলিন্দ জানান, “আমরা এই মুহূর্তে ভালো বোলার খুঁজছি। আমি অর্জুনকে ইংল্যান্ডে এমসিসি দ্বিতীয় একাদশের হয়ে খেলতে দেখেছি। অর্জুন ২৩ উইকেট নিয়েছিল ওই টুর্নামেন্টে। ভারতের হয়ে বিভিন্ন বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্টও খেলেছে ও। কিন্তু আমরা ওর উন্নতির দিকে নজর রাখব। যতদিন আমি আছি, ততদিনে পারফর্ম করেই দলে থাকতে হবে। কেউ বিশেষ সুযোগ সুবিধে পাবে না।”

Comments are closed.