রবিবার, নভেম্বর ১৭

ভারতের কাছে বিরাট হার, কাকে দুষলেন প্রোটিয়া অধিনায়ক দু’প্লেসি?

দ্য ওয়াল ব্যুরো : ভারতের কাছে টেস্ট সিরিজে লজ্জার হার হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন সফরকারী কোনও দলের এত খারাপ হাল এর আগে দেখেননি। তিন টেস্টের দুটোতে ইনিংসে হার। অথচ সেই দলের অধিনায়ক এই হারের জন্য ক্রিকেটারদের উপর দোষ চাপালেন না। দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক দু’প্লেসির বক্তব্য টসের জন্য হারতে হয়েছে তাঁদের। তাই টেস্ট ক্রিকেট থেকে টসই তুলে দেওয়া উচিত, এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।

টি ২০ সিরিজে ভারতের সঙ্গে ড্র করার পর সবাই ভেবেছিল টেস্ট সিরিজে একটা হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখা যাবে। কিন্তু কোথায় কী? প্রথম টেস্টে বিশাখাপত্তনমে তাও ব্যাট হাতে প্রথম ইনিংসে যেটুকু প্রতিরোধ দেখিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা পরের দুই টেস্টে সেটাও উধাও। প্রথম টেস্টে ২০৩ রানে হারে দক্ষিণ আফ্রিকা। দ্বিতীয় টেস্টে পুনেতে ইনিংস ও ১৩৭ রানে হারতে হয় তাদের। তৃতীয় টেস্টে রাঁচিতে অবস্থা আরও খারাপ। ইনিংস ও ২০২ রানে হারতে হয় দু’প্লেসিদের।

এই হারের সঙ্গেই দু’প্লেসির অধিনায়কত্ব নিয়েও অনেক প্রশ্ন ওঠে। প্রশ্ন ওঠে দক্ষিণ আফ্রিকার টপ অর্ডারের মানসিকতা নিয়ে। দক্ষিণ আফ্রিকা ফিরে যাওয়ার পরে সাংবাদিক সম্মেলনে এই প্রশ্নের মুখোমুখি হলে দু’প্লেসি সব দায় চাপিয়ে দিলেন টসের উপর। বললেন, “তিনটে টেস্টেই একই ছবি দেখা গিয়েছে। ভারত টসে জিতে ব্যাট করেছে। ৫০০-র বেশি রান চাপিয়ে দ্বিতীয় দিন অন্ধকারে ডিক্লেয়ার করেছে। সেই সময় চাপে আমাদের ২-৩টে উইকেট পড়ে গিয়েছে। পরের দিন আর আমরা চাপ নিতে পারিনি।” তারপরেই তিনি যোগ দেন, “আমার মনে হয় টেস্ট ক্রিকেট থেকে টস তুলে দেওয়া উচিত। সফরকারী দল ঠিক করবে তারা কী চায়। তাহলে খেলা ভালো হবে। আমাদের ঘরেও আমাদের এতে কোনও অসুবিধা নেই। কারণ সবুজ উইকেটেই আমাদের ব্যাট করতে হয়।”

দু’প্লেসি সব দায় টসের উপর চাপালেও তা মানছেন না দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন ক্রিকেটাররা। প্রোটিয়াদের সবথেকে সফল অধিনায়ক গ্রেম স্মিথ জানিয়েছেন, “টসের উপর দোষ দিয়ে লাভ নেই। আমাদেরও খেলতে হত। তখন উপমহাদেশের উইকেট আরও স্লো ছিল। এখন অনেক বেশি ব্যাটিং ফ্রেন্ডলি উইকেট। তাই যদি হবে তাহলে টেল এন্ডাররা কীভাবে ধারাবাহিক ভালো খেলল। এ সব না বলে দু’প্লেসির উচিত কোথায় সমস্যা হচ্ছে তা খুঁজে বের করে তার উপর কাজ করা। নইলে ভবিষ্যতে আরও খারাপ সময় আসতে চলেছে।”

পড়ুন, দ্য ওয়ালের পুজো ম্যাগাজিনে প্রকাশিত গল্প…..

Comments are closed.