শনিবার, আগস্ট ১৭

ফের ২২ গজে দেখা শচীন-কাম্বলির, ফিরল শিবাজি পার্কের স্মৃতি

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ব্যাট-প্যাড, গ্লাভস, হেলমেট পরে রীতিমতো ব্যাট করতে নেমেছেন একজন। অন্যজন তখন বল হাতে তৈরি। একের পর এক বল করছেন। অন্যজন সেই বল ঠেকাচ্ছেন। কখনও কভার ড্রাইভ, তো কখনও হালকা হাতে ডিফেন্স। বোলারও কখনও ওভার দ্য উইকেট, কখনও রাউন্ড দ্য উইকেটে গিয়ে বল করছেন। কোনওটা লেগ ব্রেগ, কোনওটা অফব্রেক, কোনওটা আবার গুগলি। দেখলে মনে হবে, কঠোর প্র্যাকটিসে ব্যস্ত তাঁরা। কে বলবে, একজন ছ’বছর আগে ব্যাট-প্যাড তুলে রেখেছেন। অন্যজন আরও আগে। শনিবার দুপুরে মুম্বইয়ের ডি ওয়াই পাটিল স্টেডিয়ামে এভাবেই দেখা গেল শচীন তেণ্ডুলকর ও বিনোদ কাম্বলিকে।

ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্লাব মিডলসেক্সের সঙ্গে যৌথভাবে একটি অ্যাকাডেমি খুলেছেন শচীন। নাম ‘তেণ্ডুলকর মিডলসেক্স গ্লোবাল অ্যাকাডেমি।’ এই অ্যাকাডেমির তরফেই শনিবার ডি ওয়াই পাটিলে ছিল প্র্যাকটিস সেশন। মূলত ৯ থেকে ১৪ বছর বয়সী ছেলেদের এখানে কোচিং দেওয়া হয়। প্র্যাকটিসে এসেছিলেন শচীনের ছোটবেলার বন্ধু বিনোদ কাম্বলিও। লাঞ্চের সময় দু’জনকে দেখা যায় একসঙ্গে নেমে পড়েছেন।

ব্যাট করেন কাম্বলি। বোলারের ভূমিকায় শচীন। এই পুরো ভিডিয়োটি নিজের টুইটারে শেয়ার করেন শচীন। তিনি লেখেন, “অনেকদিন পর বিনোদ কাম্বলির সঙ্গে নেটে ফিরতে ভালো লাগল। শিবাজি পার্কের দিনগুলোর কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। একটা কথা হয়তো কেউ জানেন না, আমি আর কাম্বলি কিন্তু কোনও দিনই আলাদা দলের হয়ে খেলিনি। সবসময় এক দলের হয়ে খেলেছি।” শুধু বল নয়, ব্যাট হাতেও দেখা যায় শচীনকে। কখনও স্ট্রেট ড্রাইভ, কখনও কভার ড্রাইভ, কখনও বা ফ্লিক দেখা গেল মাস্টার ব্লাস্টারের ব্যাট থেকে।

এই ভিডিয়ো শেয়ারের সঙ্গে সঙ্গেই তা ভাইরাল হয়ে যায়। অনুরাগীদের কমেন্টের বন্যা বইতে থাকে। কেউ বলেন, বহুদিন পর দু’জনকে একসঙ্গে দেখে ভালো লাগছে। আবার কেউ বলেন, স্কুল ক্রিকেটে সেই ৬৬৪ রানের পার্টনারশিপের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। কেউ তো এমনও মন্তব্য করেন, দু’জনকে দেখে মনে হলো এখনও মাঠে নামলে অনায়াসে খেলে দেবেন।

তবে এই ভিডিয়ো নিয়ে মজাও করতে দেখা যায় আইসিসিকে। বল করার সময় শচীনকে দেখা যায়, পপিং ক্রিজের অনেক বাইরে গিয়ে বল করছেন। অর্থাৎ নো বল। এই নিয়েই মজার টুইট করে আইসিসি। একদিকে দেখা যায় নো বল করছেন শচীন। অন্যদিকে দেখা যায়, তার জন্য নো বল কল করছেন আম্পায়ার স্টিভ বাকনার। ক্যাপশন হিসেবে আইসিসি লেখে ‘নিজের সামনের পা দেখ’।

Comments are closed.