শচীন-সৌরভকে ২০০৭ টি ২০ বিশ্বকাপ খেলতে নিষেধ করেছিলেন দ্রাবিড়, জানালেন ধোনিদের ম্যানেজার

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০০৭ সালে প্রথম টি ২০ বিশ্বকাপ জয়কে ভারতীয় দলের ইতিহাসে এক পরিবর্তনের সূচনা বলা যেতে পারে। এই সময়ের পরেই এক অন্য, আরও আগ্রাসী তারুণ্যে ভরা ভারতীয় দলকে দেখেছিল বিশ্ব। বড় বড় নাম ছাড়াও যে বিশ্বকাপ জেতা যায়, তা করে দেখিয়েছিলেন ধোনি ব্রিগেড। আর এই কাজে কিছুটা অবদান ছিল রাহুল দ্রাবিড়ের। তিনিই নাকি শচীন তেণ্ডুলকর ও সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে এই বিশ্বকাপ খেলতে নিষেধ করেন।

    সম্প্রতি এই ঘটনার কথা জানিয়েছেন সেই সময় ভারতীয় দলের ম্যানেজার লালচাঁদ রাজপুত। একটি সাক্ষাৎকারে রাজপুত বলেন, “হ্যাঁ এটা সত্যি যে রাহুল দ্রাবিড়ই শচীন ও সৌরভকে এই বিশ্বকাপ খেলতে নিষেধ করেন। তার আগে ইংল্যান্ডে ভারতীয় দলের অধিনায়ক ছিলেন দ্রাবিড়। কিছু প্লেয়ার ইংল্যান্ড সফর সেরে সরাসরি জোহানেসবার্গে বিশ্বকাপ দলের সঙ্গে যোগ দেন। দল নির্বাচনের আগে রাহুলই শচীন ও সৌরভকে বলেছিলেন নতুনদের সুযোগ দিতে। তাই তাঁদের দলে রাখা হয়নি। অধিনায়ক করা হয় ধোনিকে।”

    তবে ভারত এই বিশ্বকাপ জেতার পরে তিনজনই আফশোস করেছিলেন বলে জানিয়েছে রাজপুত। তিনি বলেন, “ভারত জেতার পরে তিনজনেরই মনে হয়েছিল দলে থাকলে ট্রফিতে তাঁরাও হাত দিতে পারতেন। কারণ শচীন আমাকে বলেছিলেন, আমি এত বছর ধরে খেলছি, কিন্তু একটাও বিশ্বকাপ জিতিনি। ২০১১ সালের বিশ্বকাপ জিততে মরিয়া ছিলেন তিনি। অবশেষে সেই বিশ্বকাপ তিনি পান। কিন্তু সৌরভ ও রাহুলের আর বিশ্বকাপ জেতা হয়নি।”

    সেই বিশ্বকাপে ভারতীয় দলের কোনও কোচ ছিল না। ম্যানেজার হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকা যান লালচাঁদ রাজপুত। সেবার বিশ্বকাপ জেতার পিছনে ভারতীয় দলের ক্রিকেটারদের চিন্তামুক্ত মনোভাবের কথাই বলেছেন তিনি। রাজপুত বলেন, “আমি প্রথমবার ভারতীয় দলের দায়িত্ব পেয়েছিলাম। ধোনি প্রথমবার অধিনায়ক হয়েছিলেন। দল হিসেবে খেলেছিলাম আমরা। ড্রেসিং রুমের পরিবেশ খুব ভালো ছিল। ক্রিকেটারদের কোনও চাপ ছিল না। আমাদের থিম ছিল, চাপ নেব না, অন্যদের চাপ দেব। আমরা অন্যদের কথায় কান দিইনি। শুধু নিজেদের শক্তি অনুযায়ী খেলেছি।”

    ২০০৭ সালের এই বিশ্বকাপ জয় ভারতীয় ক্রিকেটের ছবিটাই বদলে দিয়েছিল বলে বিশ্বাস করেন রাজপুত। তিনি জানিয়েছেন, “এই জয়ের ফলেই ভারতে টি ২০ বিশ্বকাপের জনপ্রিয়তা এত বেড়েছিল। তারপরে আইপিএল হয়েছে। ফলে আরও অনেক ভাল প্লেয়ার উঠে এসেছে। তরুণরা সুযোগ পেয়েছেন। নিজেদের প্রতিভা দেখাবার একটা প্ল্যাটফর্ম পেয়েছেন তাঁরা। তার সঙ্গে অভিজ্ঞ প্লেয়াররাও নিজেদের খেলার ধরন পালটে এই ক্রিকেটের সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছে। খেলার দিকে এক নতুন দিক খুলে দিয়েছে এই টি ২০ ক্রিকেট। আর সেটা হয়েছে ভারতের হাত ধরেই।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More