সবচেয়ে দামী ক্রিকেটার হয়েও ‘ফ্লপ মাস্টার’ কামিন্স, ম্যাক্সওয়েলরা

যে সব বিদেশী ক্রিকেটারদের সবচেয়ে বেশি দামে কেনা হয়েছিল, তাঁরাই কার্যত ফ্লপ মাস্টার জেনারেল পরিণত হয়েছেন। ইতিমধ্যেই ৬৪টি ম্যাচ হয়ে গিয়েছে, কিন্তু যারা দামি ছিলেন, তাঁরা এমন কোনও পারফরম্যান্স দেখাতে পারেননি, যাতে ফ্রাঞ্চাইজিও মনে করে আমার অর্থ উঠে গিয়েছে।

২৫

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : অর্থের ভিত্তিতে যদি যোগ্যতার মাপকাঠি বিচার করা হয়, তা হলে যেরকম ভুল করা হবে, তেমনটাই এবার ঠাওর হচ্ছে চলতি আইপিএলে।

যে সব বিদেশী ক্রিকেটারদের সবচেয়ে বেশি দামে কেনা হয়েছিল, তাঁরাই কার্যত ফ্লপ মাস্টার জেনারেল পরিণত হয়েছেন। ইতিমধ্যেই ৬৪টি ম্যাচ হয়ে গিয়েছে, কিন্তু যারা দামি ছিলেন, তাঁরা এমন কোনও পারফরম্যান্স দেখাতে পারেননি, যাতে ফ্রাঞ্চাইজিও মনে করে আমার অর্থ উঠে গিয়েছে।

চলতি আসরে সব চেয়ে বেশি দামে কেনা হয়েছে কেকেআরের অলরাউন্ডার প্যাট কামিন্সকে, তিনি মূলত বোলার, কিন্তু উইকেট না পেলেও ব্যাটে গত ম্যাচে দলকে টেনেছেন। বাকি তিনজন দামী ক্রিকেটার হলেন, কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, শেলডন কটরেল, আরসিবি-র ক্রিস মরিস ও মুম্বইয়ের নাথাল কুন্টার নাইল।

প্যাট কামিন্স (কলকাতা নাইট রাইডার্স) : শাহরুখ খানের কেকেআর এই অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটারকে এবার নিলামে নিয়েছিল সাড়ে ১৫ কোটি টাকার বিনিময়ে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত ভাল কিছু করে দেখাতে পারেননি। প্রথম ম্যাচেই ব্যর্থ, তিন ওভারে দিয়েছিলেন ৪৯ রান।

এখনও পর্যন্ত ২৯ ওভার বোলিং করে মাত্র ২টি উইকেট নিতে পেরেছেন কামিন্স। রান দিয়েছেন ২৫০ রান, যা তাঁর অর্থের ভিত্তিতে মানানসই নয়। ব্যাট হাতে করেছেন ১১৬ রান। যদিও তাঁকে নেওয়া হয়েছে দলের বোলার হিসেবেই।
গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব) : প্রায় ১১ কোটির ক্রিকেটার, অথচ পারফরম্যান্সে নিট ফল শূন্য। চলতি আইপিএলে মোট ৬১টি বল খেলে করেছেন ৫৮ রান। মোট ৮টি ম্যাচ খেলা হয়ে গিয়েছে। দলের মারকুটে ব্যাটসম্যান হলে কী হবে, ব্যাটে-বলে করতেই কালঘাম ছুটছে তাঁর। বল হাতে ১১ ওভারে মাত্র ১ উইকেট তাঁর দখলে।

ক্রিস মরিস (রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর) : বিরাট কোহলির দল মরিসকে নিয়েছে ১০ কোটির বিনিময়ে, কিন্তু যেমন করার কথা ছিল, করতে পারেননি। তিনি সুপ্রতিষ্ঠিত অলরাউন্ডার, সেটি নামেই, কিন্তু কাজে সেই ভাবে দাগ কাটতে ব্যর্থ।

ব্যাঙ্গালুরু এখনও পর্যন্ত খেলেছে ৮টি ম্যাচ, যেখানে মরিস খেলতে পেরেছেন মাত্র ৩টিতে। চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নেন, পরে কলকাতার বিপক্ষে নেন আরও দুইটি। তবে পাঞ্জাবের বিপক্ষে উইকেটশূন্যই থেকে যান তিনি। কাঁধের চোটের কারণে তিনি সুবিধে করতে পারছেন না।

শেল্ডন কটরেল (কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব) : ক্যারিবিয়ান এই বাঁহাতি পেসারকে নিয়ে আশার সঞ্চার হয়েছিল। তাঁকে নেওয়া হয়েছিল প্রায় নয় কোটিতে। কিন্তু ছয় ম্যাচে মাত্র ৬টি উইকেট শিকার করতে পেরেছেন কটরেল। এরপর জায়গা হারিয়েছেন দল থেকে। এ ছয় ম্যাচে ১৭৬ রান খরচ করেছেন কটরেল। রাজস্থানের রাহুল তেওটিয়া তাঁর এক ওভারে নিয়েছিলেন ৩০ রান।

নাথান কুন্টার নাইল (মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স) : তাঁকে রোহিত শর্মার দল মোট আট কোটিতে কিনেছিল। কিন্তু চোটের কারণে সাত ম্যাচ খেলতেই পারেননি। আট নম্বর ম্যাচে সুযোগ পেলেও বোলিং একদমই ভাল করতে পারেননি। চার ওভারে রান দিয়েছেন ৫১, তাঁকে আর সুযোগ দেওয়া হবে কিনা, সেটিও বড় প্রশ্ন।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More