সোমবার, অক্টোবর ২১

ক্রোমার জোড়া গোলে জর্জকে হারালেও এখনই চ্যাম্পিয়ন নয় পিয়ারলেস

দ্য ওয়াল ব্যুরো : নিজেদের শেষ ম্যাচ চ্যাম্পিয়নদের মতোই খেলল পিয়ারলেস। জ্বলে উঠলেন এই মরসুমে কলকাতা লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা আনসুমানা ক্রোমা। তাঁর জোড়া গোলেই জর্জের মতো শক্ত দলকে হারালো জহর দাসের ছেলেরা। কিন্তু অন্যদিকে ইস্টবেঙ্গল-কাস্টমস ম্যাচ ভেস্তে যাওয়ায় এখনই লিগ চ্যাম্পিয়ন হতে পারছে না পিয়ারলেস। তাদের অপেক্ষা করতে হবে ইস্টবেঙ্গল-কাস্টমস ম্যাচ নিয়ে ফেডারেশনের সিদ্ধান্তের উপর।

এ দিন বারাসাত স্টেডিয়ামে প্রথম থেকেই গোলের লক্ষ্যে ঝাঁপিয়েছিলেন ক্রোমারা। আগের দিন রেনবোর বিরুদ্ধে বেশ ধীরে-সুস্থে খেললেও এ দিন তাঁদের তাগিদ ছিল অনেকটাই বেশি। রক্ষণ ও মাঝমাঠ জমাট রেখে আক্রমণে উঠছিলেন দীপেন্দু দুয়ারি, জিতেন মুর্মুরা। গোল করার জন্য ছটফট করছিলেন ক্রোমা।

তার ফলও মেলে। ৩৫ মিনিটের মাথায় গোল করে পিয়ারলেসকে এগিয়ে দেন ক্রোমা। এ দিন ম্যাচের আগে লাইবেরিয়ার এই স্ট্রাইকার ফেসবুকে লিখেছিলেন তাঁর স্ত্রী অসুস্থ, তা সত্বেও তাঁর প্রধান লক্ষ্য দলকে চ্যাম্পিয়ন করা। ক্রোমার খেলায় এ দিন সেই আত্মবিশ্বাসটাই ফুটে উঠল। অন্যদিকে জর্জও প্রথমার্ধে কিছু সুযোগ তৈরি করলেও গোল করতে পারেনি।

দ্বিতীয়ার্ধেও নিজেদের আক্রমণের ঝাঁঝ বজায় রাখে পিয়ারলেস। ৫২ মিনিটের মাথায় নিজের ও দলের দ্বিতীয় গোল করেন ক্রোমা। এই নিয়ে এই মরসুমে ১৩টি গোল করে ফেললেন দুই প্রধানে খেলে আসা এই স্ট্রাইকার। নিজের জাত চেনালেন তিনি। আর ম্যাচে ফিরে আসা সম্ভব হয়নি কোচ রঞ্জন ভট্টাচার্যের দলের। শেষ পর্যন্ত ২-০ ব্যবধানেই শেষ হয় খেলা।

এই জয়ের ফলে ১১ ম্যাচে ২৩ পয়েন্ট পিয়ারলেসের। তাদের গোল পার্থক্য +১৩। অবশ্য তারপরেও এখনই ইতিহাস তৈরি করা হচ্ছে না ক্রোমাদের। কারণ, ইস্টবেঙ্গল-কাস্টমস ম্যাচ নিয়ে ফেডারেশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া বাকি। যদি সেই খেলায় পয়েন্ট ভাগাভাগি হয়, তাহলে চ্যাম্পিয়ন হচ্ছে পিয়ারলেস। আর যদি খেলা হয়, সেক্ষেত্রে ইস্টবেঙ্গলকে কমপক্ষে ৭-০ গোলে হারাতে হবে কাস্টমসকে। নইলে ১৯৫৮ সালের পর ফের তিন প্রধানের বাইরের কোনও দল লিগ চ্যাম্পিয়ন হবে।

 

Comments are closed.