সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৬

পিয়ারলেসের কাছে হার, লিগের লড়াইয়ে চাপে পড়ে গেল ইস্টবেঙ্গল

দ্য ওয়াল ব্যুরো: জহর দাসের পিয়ারলেস কি ৫৮-র ইস্টার্ন রেল হওয়ার দিকে এগোচ্ছে?

মোহনবাগানের পর ইস্টবেঙ্গলকেও হারিয়ে দিল তারা।  চারশো কোটি টাকার টিমকে বোতলবন্দি করে রাখল ময়দানের তথাকথিত ছোট দল। পিয়ারলেসের হয়ে পেনাল্টি থেকে একমাত্র গোলটি করলেন ইস্ট-মোহনের প্রাক্তনী আনসুমানা ক্রোমা। ধারাবাহিক গোল না করতে পারা এ বার প্রশ্নের মুখে পড়তে শুরু করল কোয়েস ইস্টবেঙ্গলের ফরওয়ার্ড লাইন।

মনোতষ চাকলাদার, ফুলচাঁদ হেমব্রম, আভিনব বাগ, দীপেন্দু দুয়ারি, ভার্নে কালানরা  যে ঠাসবুনোট ডিফেন্সের প্রাচীর তৈরি করেছিলেন, তাতে দাঁতই ফোটাতে পারল না ইস্টবেঙ্গল। বারবার খেই হারিয়ে ফেললেন লাল-হলুদ খেলোয়াড়রা। বরং দুই অর্ধেই একাধিক পিয়ারলেসের আক্রমণ ঠেকাতে ব্যস্ত থাকতে হল বোরহা গোমেজ, মেহেতাব সিংদের।

৬৬ মিনিটের মাথায় ইস্টবেঙ্গল বক্সে ঢুকে পড়েন পঙ্কজ মৌলা। বক্সের মধ্যে ফাউল করেন কমলপ্রীত সিং। পেনাল্টি দেন রেফারি। আর তা থেকে ইস্টবেঙ্গলের জালে বল জড়াতে ভুল করেননি লাইবেরিয়ান ক্রোমা। তারপরও একাধিক আক্রমণ আছড়ে পড়ে লালহলুদ বক্সে। কখনও তা ফেরে ক্রসপিসে লেগে, কখনও কোনওরকমে সামাল দেয় লাল-হলুদ ডিফেন্স। এই ম্যাচ জিতে পিয়ারলেসও লিগের লড়াইয়ে অনেকটা এগলো।

এ দিনের ম্যাচের পর ইস্টবেঙ্গল গ্যালারি থেকেই প্রশ্ন উঠে গেল স্প্যানিশ কোচের স্ট্র্যাটেজি নিয়ে। কোলাডোকে এ দিনও শুরু থেকে খেলাননি কোচ। নামান পরিবর্ত হিসেবে। কিন্তু যাঁকে নিয়ে প্রথম একাদশ সাজিয়েছিলেন, সেই মার্কোস যতক্ষণ খেললেন, ততক্ষণই আটকে রইলেন। খুঁজে পাওয়া গেল না ‘কোচের পছন্দের রোনাল্ডো অলভিয়েরাকে। ফর্মে না থাকা পিন্টু মাহাতোকেও অতক্ষণ মাঠে রাখা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বহু সমর্থক। লিগের লড়াই শেষ নয়। তবে কঠিন করে ফেলল ইস্টবেঙ্গল।

Comments are closed.