সন্তানদের জন্য কোনও ঝুঁকি নিতে চাইনি, দেশে ফিরে জানালেন রায়না

২৭

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিবার হঠাৎ করেই সংযুক্ত আরব আমিরশাহী থেকে দেশে ফিরে এসেছেন চেন্নাই সুপার কিংসের ডেপুটি সুরেশ রায়না। কী কারণে তিনি হঠাৎ করে দেশে ফিরলেন, তা নিয়ে শুরু হয় জল্পনা। পরে জানা যায় পঞ্জাবের পাঠানকোটে দুষ্কৃতী হামলায় তাঁর পিসেমশাই নিহত হয়েছেন ও পিসি আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি। তবে সেই কারণ ছাড়াও আরও একটি কারণে দেশে ফিরেছেন রায়না। তা হলে তাঁর সন্তানদের সুরক্ষা।

দৈনিক জাগরণে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছে, রায়না শনিবার দিল্লিতে পৌঁছেছেন। বাড়ি ফিরেই নাকি নিজেকে কোয়ারেন্টাইনে রেখেছেন ক্রিকেটার। দেশে ফিরে সংবাদমাধ্যমকে রায়না জানিয়েছেন, সন্তানদের জন্যই কোনও ঝুঁকি নিতে চাননি তিনি। তাঁর মেয়ে গ্রাসিয়ার বয়স ৪ বছর ও ছেলে রিওর বয়স ৫ মাস। তাই চেন্নাই শিবিরে ব্যাপক হারে সংক্রমণ ছড়াতেই দেশে আসার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

জানা গিয়েছে, চেন্নাই শিবিরে এখনও পর্যন্ত ১৩ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুই ক্রিকেটারও রয়েছেন। তাঁরা হলে পেস বোলার দীপক চাহার ও ব্যাটসম্যান ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। আমিরশাহী উড়ে যাওয়ার আগে চেন্নাইয়ে ১৫ থেকে ২০ অগস্ট সুপার কিংসের যে শিবির হয়েছিল, সেখানে ছিলেন এই ক্রিকেটাররা। সেই শিবির থেকেই তাঁদের শরীরে সংক্রমণ ছড়ায় বলে খবর। এই ব্যাপক সংক্রমণে আতঙ্ক ছড়িয়েছে চেন্নাই শিবিরে।

দলে এত ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফ সংক্রামিত হওয়ার পরেই নাকি ম্যানেজমেন্টকে রায়না বলেন, তিনি দেশে ফিরতে চান। চেন্নাই ম্যানেজমেন্ট তাঁর সিদ্ধান্তকে মর্যাদা দিয়ে তাঁকে দেশে ফেরার অনুমতি দেয়। তবে রায়না দেশে ফেরায় কিছুটা সমস্যায় চেন্নাই শিবির। এতে তাদের শক্তি কিছুটা কমল তা বলাই যায়।

শনিবার চেন্নাই সুপার কিংস দলের সিইও কে এস বিশ্বনাথন জানান, “ব্যক্তিগত কারণে দেশে ফিরে গিয়েছেন সুরেশ রায়না। বাকি মরসুম তাঁকে পাওয়া যাবে না। এই সময় সুরেশ ও তাঁর পরিবারের প্রতি আমাদের সব রকমের সমর্থন রয়েছে।” অবশ্য ঠিক কী কারণে আইপিএলের আগেই রায়না দেশে ফিরে এলেন সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি দলের তরফে।

পরে জানা যায়, সম্প্রতি দুষ্কৃতী হামলায় রায়নার পিসেমশাই ৫৪ বছরের অশোক কুমার নিহত হয়েছেন। গুরুতর আঘাত পেয়েছেন তাঁর স্ত্রী আশা দেবী ও তাঁদের দুই সন্তান ৩২ বছরের কৌশল কুমার ও ২৪ বছরের আপিন কুমার। দুষ্কৃতীদের হাতে আহত হন অশোকবাবুর ৮০ বছরের মাও। অশোকবাবু মারা গেলেও আশা দেবী এখনও বেঁচে রয়েছেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি তিনি। হাসপাতালে ভর্তি পরিবারের বাকিরাও। সবার চিকিৎসা চলছে। তারপরেই মনে হয়েছিল, এই কারণেই হয়তো দেশে ফিরেছেন তিনি। কিন্তু তার সঙ্গে সন্তানদের সুরক্ষার বিষয়ও ছিল, সেটা জানিয়েছেন রায়না নিজেই।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More