সামনে মোহনবাগান, গ্যালারিতে সমর্থক, সব ভুলে মাঠে নামো, টিমকে তাতালেন আলেজান্দ্রো  

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আই লিগে একনম্বর দলের বিরুদ্ধে পাঁচ নম্বর দলের লড়াই। একটা দল শেষ পাঁচটি ম্যাচের চারটিতে জিতেছে, একটি ড্র। অন্যটির দুটি হার, দুটি জয় এবং একটি ড্র। কিন্তু এসব পরিসংখ্যান দূরে ঠেলে টিমকে চাঙ্গা করতে আবেগকেই অস্ত্র করলেন ইস্টবেঙ্গলের স্প্যানিশ কোচ আলেজান্দ্রো মেনেন্ডেজ গার্সিয়া।

এখনও পর্যন্ত বড় ম্যাচে তাঁর ট্র্যাক রেকর্ড ভাল। গত মরসুমের আইলিগে জোড় জয় এবং এবার ঘরোয়া লিগের ডার্বিতে ড্র। একটি বড় ম্যাচও হারেননি। কিন্তু ইস্টবেঙ্গল চাপে। সে কথা জানেন হেড স্যার। তাই লালরিনডিকা রালতে, মার্কোস এসপাদা, জুয়ান মেরাদের কোচের ভোকাল টনিক—সামনে মোহনবাগান, গ্যালারিতে সমর্থক। তাই খেলতে হবে সব ভুলে। নিজেদের সবটা দিয়ে।

এই দেড় বছরের ময়দানি কেরিয়ারে আলেজান্দ্রো বুঝে গিয়েছেন, এই ম্যাচ পরিসংখ্যান, কোন টিমের কতটা শক্তি সেসব দিয়ে হয় না। পৃথিবীর সব ম্যাচ একদিকে আর বড় ম্যাচ অন্যদিকে। আলেজান্দ্রো জানেন, রবিবার হারতে হলে আরও চাপ বাড়বে তাঁর উপর। এমনিতেই গত ম্যাচে সমর্থকদের ধ্যৈর্যচ্যুতি ঘটেছে। কোয়েস ইস্টবেঙ্গলে সিইও সঞ্জিত সেনকে হাতের কাছে পেয়ে ‘জ্বালা’ মিটিয়েছেন একদল সমর্থক। সবটা জেনে কালকের ম্যাচ থেকেই ঘুরে দাঁড়াতে চাইছে টিম ইস্টবেঙ্গল।

এদিন সাইয়ের মাঠে অনুশীলনেও তাল কেটেছে। রুদ্ধদ্বার অনুশীলন করাতে গিয়ে কোয়েসের এক আধিকারিক ক্লাব কর্তা দেবব্রত সরকারকেই মাঠ থেকে বেরিয়ে যেতে বলেন। তা নিয়ে অনুশীলনের মাঝেই উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। কিন্তু সব কিছুর পরেও সমর্থকদের আবদার একটাই, বড় ম্যাচ থেকে ঘুরে দাঁড়াক দল।

আইলিগ এখনও অনেক বাকি। এখনও অনেক সাপ লুডোর খেলা চলবে। তাই নতুন শুরু করতে চাইছেন ইস্টবেঙ্গল খেলোয়াড়রাও। এদিন ডিকা বলেন, “পাস্ট ইজ পাস্ট। আমরা কাল নতুন করে শুরু করব। কোচ বলেছেন নিজেদের সবটুকু দিতে। আমরাও সমর্থকদের জন্য নিজেদের ১০০ শতাংশ দিয়েই খেলব।”

বাগান কোচও আলেজান্দ্রোর দেশের। তাই লড়াই হবে দুই কোচের কৌশলের। ইস্টবেঙ্গল যেমন চাইবে ফ্রান গঞ্জালেসের মতো খেলোয়াড়কে জোনাল মার্কিং-এ ফেলে দিয়ে মোহনবাগানের আক্রমণ ঠেকাতে, তেমন বাগানও চাইবে জুয়ান মেরার খেলাকে মাঝমাঠ অঞ্চলেই থামিয়ে দিতে।

পর্যবেক্ষকদের অনেকের মতে, এটিকের সঙ্গে মোহনবাগানের সংযুক্তিকরণ নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে তা প্রভাব ফেলতে পারে বাগান খেলোয়াড়দের উপর। তাই ইস্টবেঙ্গল মনস্তাত্বিক দিক থেকে কিছুটা এগিয়ে থাকবে বলে একাংশের মত। যদিও সেসব উড়িয়ে দিচ্ছেন অনেকে। সব মিলিয়ে বাঙালির আবেগের ম্যাচে জমজমাট লড়াই দেখার অপেক্ষায় দু’দলের সমর্থকরা।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More