বাঙালির বুটেই পাঞ্জাবে মান বাঁচল বাগানের

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: বক্সের মধ্যে দুরন্ত সাইড ভলিতে গোল করলেন এসের পিয়েরিক ডিপান্ডা ডিকা। অথচ বল জালে জড়ানোর সঙ্গেই মুখে হতাশা দেখা গেল মোহনবাগান কোচ কিবু ভিকুনার। কারণ ডিকা তো এখন পাঞ্জাবের স্ট্রাইকার। বাগানকে বহু ম্যাচ জেতানোর নায়ক ডিকার পায়ে পিছিয়ে পড়ে তরুণ বাঙালি শুভ ঘোষের গোলে ম্যাচ ড্র করল গঙ্গাপাড়ের ক্লাব।

    পাঞ্জাবের বৃষ্টিভেজা মাঠে শুরু থেকেই দাপট দেখাতে থাকে হোম টিম। নিজেদের মধ্যে পাস খেলে আক্রমণে উঠতে থাকেন পাঞ্জাবের ফুটবলাররা। বাগানের বাতিল বিদেশি ডিপান্ডা ডিকার উপরেই ছিল পাঞ্জাবের আক্রমণভাগের দায়িত্ব। সেটা ভালভাবেই পালন করছিলেন ডিকা। অন্যদিকে শুরু থেকেই কেমন যেন একটা ছন্নছাড়া ফুটবল খেলতে থাকে মোহনবাগান। মাঝমাঠে খেলা তৈরি হলেও অ্যাটাকিং থার্ডে গিয়ে সব আক্রমণ খেই হারিয়ে যাচ্ছিল। ফাইনাল পাস দিতে সমস্যায় পড়ছিলেন বেইতিয়া, নওরেমরা।

    তারমধ্যেই বাগানকে প্রথম ধাক্কা দেন ডিকা। ১৯ মিনিটের মাথায় ডানপ্রান্ত ধরে সঞ্জু প্রধানের ক্রসে দুরন্ত সাইড ভলিতে গোল করে পাঞ্জাবকে এগিয়ে দেন ডিকা। তারপরেও আক্রমণে উঠতে থাকে পাঞ্জাব। অন্যদিকে পাঞ্জাব গোলের সামনে তেমন কোনও সুযোগ তৈরি করতে পারেনি সবুজ-মেরুন আক্রমণভাগ। কেবলমাত্র ফ্রান গঞ্জালেজের একটা হেড ছাড়া সেভাবে সমস্যায় পড়তে হয়নি পাঞ্জাব গোলকিপারকে। অন্যদিকে ময়দানে দীর্ঘদিন খেলে যাওয়া সঞ্জু প্রধান, কেবিন লোবোর মতো ফুটবলাররা দুরন্ত খেলছিলেন।

    দ্বিতীয়ার্ধেও একই ছবি দেখা যায়। ৫৪ মিনিটের মাথায় একের বিরুদ্ধে এক শট দুরন্ত বাঁচান শঙ্কর। নইলে ব্যবধান আরও বাড়ত। অন্যদিকে ব্রিটো নামার পরে কয়েকটা সুযোগ তৈরি করে বাগান। কিন্তু দিওয়ারা, বেইতিয়া সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। নওরেমের ডান পায়ের জোরালো শট সরাসরি জমা পড়ে পাঞ্জাব গোলকিপারের দস্তানায়।

    পাঞ্জাব ডিফেন্সকে ভাঙতে পারছিলেন না বেইতিয়া, ফ্রান গঞ্জালেজরা। অন্যদিকে বাগান গোলের সামনে মাঝমধ্যেই ত্রাসের সৃষ্টি করছিলেন ডিকা। ৭৮ মিনিটের মাথায় নিজের শেষ তাস খেলে ফেলেন কিবু ভিকুনা। ড্যানিয়েল সাইরাসকে তুলে নতুন বিদেশি তুরসুনভকে নামান তিনি। ৮২ মিনিটের মাথায় কেবিন লোবোর শট বারে লেগে বেরিয়ে যায়।

    যখন মনে হচ্ছে পাঞ্জাবের মাটি থেকে খালি হাতেই ফিরতে হবে বাগানকে ঠিক তখনই জ্বলে উঠলেন শুভ ঘোষ। পাঞ্জাব ডিফেন্সের ভুলকে কাজে লাগিয়ে ডান পায়ের শটে বল জালে জড়িয়ে দিলেন শুভ। ফের একবার তিনি প্রমাণ করলেন গোল ভালই চেনেন এই তরুণ স্ট্রাইকার।

    তারপরেও ম্যাচের শেষ শটে হারতে হত বাগানকে। কিন্তু পাঞ্জাবের ফুটবলারের শট পোস্টে লেগে ফেরে। কোনওরকমে ম্যাচ ড্র করল মোহনবাগান। এদিনের ম্যাচের পরে ৭ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট হল কিবু ভিকুনার ছেলেদের। আগামী রবিবার মরসুমের প্রথম ডার্বি। এখন দেখার এদিনের ড্রয়ের পর সেখানে কেমন খেলে বাগান ব্রিগেড।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More