শনিবাসরীয় সন্ধ্যায় অনবদ্য সনি, তবু জয় এল না বাগানের

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আগের ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলের বাতিল প্লাজার জোড়া গোলে চার্চিল ব্রাদার্সের কাছে লজ্জার হার হয়েছিল বাগানের। পরের ম্যাচে লিগশীর্ষে থাকা চেন্নাই সিটি এফসি’র বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল বাগান। দুরন্ত খেলেও জয় এল না। সনি’র অনবদ্য গোলের পরেও ঘরের মাঠে ১ পয়েন্ট নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হলো শঙ্করলাল চক্রবর্তীর ছেলেদের।

এ দিন দলে কিছু পরিবর্তন নিয়েছিলেন বাগান কোচ। গোলে শিল্টন পালের জায়গায় ছিলেন শঙ্কর রায়। প্রথম একাদশে শুরু করেছিলেন ওমর। ডিকাকে বসিয়ে সিঙ্গল স্ট্রাইকারে খেলিয়েছিলেন হেনরি কিসেকাকে। মাঝমাঠে ইয়ুটা, ওমর, সনিকে একসঙ্গে রেখে মাঝমাঠের দখল নিতে চেয়েছিলেন শঙ্করলাল।

আরও পড়ুন প্রলয় আসছে! ৮.৫ মাত্রার ভূমিকম্পে টলে যেতে পারে হিমালয়, সতর্কবার্তা

তাঁর পরিকল্পনা কাজেও লেগে গেছিল। প্রথম থেকেই আধিক্য ছিল বাগানের। নিজেদের মধ্যে ছোট ছোট পাসে, দুপ্রান্ত ব্যবহার করে আক্রমণে উঠছিলেন সনি, পিন্টুরা। অন্যদিকে বেশিরভাগ সময় রক্ষণেই ব্যস্ত থাকতে হচ্ছিল চেন্নাই সিটি এফসিকে। ৯ মিনিটের মাথায় হেনরির ক্রসে পিন্টু মাহাতার জোরালো শট দারুণ বাঁচান সান্টানা। মাঝেমধ্যে প্রতিআক্রমণে ওঠার চেষ্টা করছিলেন স্যান্ড্রো, পেড্রো মানজি, নেস্টররা। কিন্তু গোলের মুখ খুলছিল না। ৩৭ মিনিটের মাথায় পিন্টু মাহাতার শট একটুর জন্য বাইরে যায়। অতিরিক্ত সময়ে সৌরভ দাসের শট দারুণ বাঁচান সান্টানা।

দ্বিতীয়ার্ধেও ঘরের মাঠে গোল করার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে বাগান। ৫১ মিনিটের মাথায় বাঁ প্রান্তে হেনরির কাছ থেকে বল পেয়ে দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে ডান পায়ের বাঁক খাওয়ানো বিশ্বমানের গোলে বাগানকে এগিয়ে দেন সনি নর্ডি। যুবভারতী জুড়ে শুরু হয়ে যায় চিৎকার, আনন্দ। এরপরেও বেশ কিছু আক্রমণ তুলে আনে বাগান। কিন্তু কিসেকা একা হয়ে যাওয়ায় সুবিধা করতে পারছিলেন না।

আরও পড়ুন বেপরোয়া বাস, অধৈর্য পথচারী, সিটি সেন্টার ওয়ানের সামনের রাস্তা যেন মৃত্যুফাঁদ

অন্যদিকে সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে চেন্নাই। তাঁদের তিন স্প্যানিশ খেলোয়াড় পেড্রো মানজি, নেস্টর ও স্যান্ড্রোর উপর ভর করে আক্রমণ তুলে আনতে থাকে চেন্নাই সিটি এফসি। কিছুটা চাপে পড়ে যায় মোহনবাগান ডিফেন্স। এরমধ্যেই ৮১ মিনিটের মাথায় লং বল চেস্টট্র্যাপ করে নামিয়ে ডান পায়ের শটে ফার্স্ট পোস্ট দিয়ে বল জালে জড়িয়ে সমতা ফেরান নেস্টর। গোটা ম্যাচে ভালো খেলে যেভাবে হাতের পাশ দিয়ে গোল খেলেন শঙ্কর তা ক্ষমার অযোগ্য।

তারপরেও জয়ের জন্য দুই দল চেষ্টা করে। শেষ মুহূর্তে স্যান্ড্রোর শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। কিন্তু কোনও গোল হয়নি। ঘরের মাঠে ভালো খেলেও জয়ের মুখ দেখতে পেল না মোহনবাগান। হাতের মধ্যে থাকা ম্যাচ হাতছাড়া করতে হলো।  ড্র করেই সন্তুষ্ট থাকতে হলো শঙ্করলাল চক্রবর্তীকে।

The Wall-এর ফেসবুক পেজ লাইক করতে ক্লিক করুন 

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More