সোমবার, ডিসেম্বর ৯
TheWall
TheWall

পাহাড়ে ধাক্কা খেল মোহনবাগান, ড্র দিয়েই আইলিগ শুরু সবুজ-মেরুনের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: লিগের প্রথম ম্যাচে আইজলের মাঠে শুরুতেই গোল তুলে নিতে চেয়েছিলেন মোহনবাগান কোচ কিবু ভিকুনা। শুরুটা হয়েও ছিল সেভাবে। কিন্তু সুযোগ কাজে লাগাতে পারলেন না সুহের, কলিনাসরা। তার ফল ভুগতে হল গোটা ম্যাচ জুড়ে। শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য ড্র করে ফিরতে হল আইজল থেকে। লিগের প্রথম ম্যাচ ড্র দিয়েই শুরু করল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড।

আইজলের মাঠে রেফারি ও পি ঠাকুরের বাঁশি বাজার পরেই যেন মনে হল কল্যাণী কিংবা যুবভারতীতে খেলতে নেমেছে মোহনবাগান। পাস-পাস আর পাস। মাঝমাঠে বেইতিয়া, গঞ্জালেস, ব্রিটো, নওরেমরা একের পর এক বল বাড়াচ্ছেন কলিনাস ও সুহেরের উদ্দেশে। মাঝমাঠের দখল পুরোপুরি নিয়ে নিয়েছিল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। প্রথম ১৫ মিনিটেই অন্তত তিন গোলে এগিয়ে যেতে পারত বাগান। কিন্তু গোল নষ্ট করলেন দুই স্ট্রাইকার। কিছু শট ভাল বাঁচালেন আইজলের গোলকিপার। প্রথম ৩৫ মিনিট যদি মোহনবাগানের হয় তাহলে পরের ১০ মিনিট দাপট দেখাল আইজল। এইসময় অন্তত দু’বার গোলের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল তারা। অ্যাস্ট্রোটার্ফের অসমান বাউন্সে মাঝেমধ্যে সমস্যা হচ্ছিল ড্যানিয়েল সাইরাস, মোরান্তেদের। কিন্তু গোলের মুখ খোলেনি। প্রথমার্ধে ০-০ ফলেই ড্রেসিং রুমে যায় দু’দল।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই অবশ্য অনেক বেশি আক্রমণাত্মক দেখায় আইজল এফসিকে। গতি ব্যবহার করে আক্রমণ তুলে আনতে থাকেন প্রাক্তন লাল-হলুদ কোচ স্ট্যানলি রোজারিওর ছেলেরা। অন্যদিকে মোহনবাগান খেলার গতি কিছুটা কমিয়ে নিজেদের হাতে খেলা নেওয়ার চেষ্টা করতে থাকে। কিন্তু অনেক বেশি সপ্রতিভ দেখায় আইজল মাঝমাঠ ও আক্রমণ ভাগকে। বেশ কয়েক বার পরীক্ষার মধ্যে পড়তে হয় দেবজিৎকে।

খেলা যত গড়ালো, দাপট দেখাল আইজল। স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল দমের অভাব তফাৎ গড়ে দিচ্ছে। বাধ্য হয়ে নিজের শেষ তাস সালভাদোর মার্টিনেজ পেরেজকে নামান বাগান কোচ কিবু ভিকুনা। স্প্যানিশ স্ট্রাইকারের হেডের ক্ষমতাকে কাজে লাগানোর জন্য বক্সের মধ্যে ক্রস তোলার চেষ্টা করতে থাকেন চুলোভা, ফৈয়াজরা। মাঝেমধ্যে কিছুটা এলোমেলো খেলা হতে থাকে।

বাকি সময়েও আক্রমণ প্রতিআক্রমণের খেলা চলতে থাকে। তবে বেশি সুযোগ পাচ্ছিল আইজল। সেকেন্ড বল পাচ্ছিলেন না বাগান ফুটবলাররা। তাঁদের পা থেকে বল কেড়ে নিচ্ছিলেন আইজ্যাক, নওরেমরা। শেষ পর্যন্ত আর গোল হয়নি। ফলে প্রথম ম্যাচে এক পয়েন্ট নিয়েই ফিরতে হল মোহনবাগানকে।

Comments are closed.