ইস্টবেঙ্গল প্র্যাকটিসে গুরুতর আহত মেহেতাব, সিদ্ধার্থ

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো : ইস্টবেঙ্গলের মিডফিল্ড জেনারেল মহম্মদ আল আমনা এখনও পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি। তার মধ্যে এ বার প্র্যাকটিসের সময় গুরুতর চোট পেলেন লাল-হলুদ ডিফেন্ডার মেহেতাব সিং। এখনও হাসপাতালে ভর্তি তিনি। ৪৮ ঘণ্টা তাঁকে অবজারভেশনে রাখা হবে বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর।

    ঘটনাটি ঘটে বুধবার সকালে। ইস্টবেঙ্গল গ্রাউন্ডে তখন প্র্যাকটিসে ব্যস্ত খেলোয়াড়েরা। আগের দিন ডিফেন্সের দোষে ৩ পয়েন্ট হাতছাড়া হয়েছে। তাই ডিফেন্সিভ অর্গানাইজেশন মজবুত করার দিকেই বেশি জোর দিচ্ছিলেন কোচ আলেজান্দ্রো মেনেন্দেজ। কলকাতা লিগে প্রায় প্রত্যেক ম্যাচ খেললেও আই লিগে প্রথম একাদশে সুযোগ না পাওয়ায় কোচের চোখে পড়ার জন্য প্রাণপাত করছিলেন মেহেতাব।

    আরও পড়ুন কেষ্টকে কুকুর বললেন দিলীপ, দিদি বললেই সিংহ হয়ে যাব, পাল্টা কেষ্টও

    প্যাকটিসে ছিলেন ট্রায়ালে আসা স্ট্রাইকার সিদ্ধার্থ সিংও। বক্সের মধ্যে ভেসে আসা একটা উঁচু বল দখলের লড়াইয়ে গিয়ে সিদ্ধার্থের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় মেহেতাবের। সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে জ্ঞান হারান তিনি। চোট লাগে সিদ্ধার্থেরও। সঙ্গে সঙ্গে বাইপাসের ধারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় দুই পাঞ্জাব তনয়কে। সেখানে জ্ঞান ফেরে মেহেতাবের। বেশ কয়েকবার বমিও করেন তিনি।

    সিদ্ধার্থ সিংয়ের চোট তেমন গুরুতর ছিল না। মাথায় কয়েকটি সেলাই করে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতালে এখনও ভর্তি আছেন মেহেতাব। হাসপাতাল সূত্রে খবর, মেহেতাবের মাথায় গুরুতর চোট রয়েছে। বারবার বমিও করছেন। তাই এখনও ৪৮ ঘণ্টা অবজারভেশনে রাখা হবে তাঁকে।

    সূত্রের খবর, এ দিন ক্লাব কর্তাদের ফোন করে মেহেতাবের ব্যাপারে খোঁজ নিয়েছেন লাল-হলুদের প্রাক্তন কোচ সুভাষ ভৌমিক। ইস্টবেঙ্গলের কোচ থাকাকালীন মেহেতাবের উপর যথেষ্ট নির্ভর করতেন সুভাষ। এমনকী কাল হাসপাতালে মেহেতাবকে দেখতেও যেতে পারেন সুভাষ, এমনটাই জানা গেছে।

    The Wall-এর ফেসবুক পেজ লাইক করতে ক্লিক করুন 

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More