বিশ্ব রেকর্ড! বয়সকে তুড়ি মেরে ষষ্ঠবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন মেরি

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: তৃতীয় রাউন্ড শেষ হতেই চোখেমুখে ধরা পড়ছিল আনন্দ। বুঝে গেছিলেন তিনি পেরেছেন। ষষ্ঠবারের জন্য বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মেডেলটা ঝুলবে তাঁর গলাতেই। তাই গিয়ে জড়িয়ে ধরলেন কোচ ও সাপোর্ট স্টাফদের। চোখ থেকে গড়িয়ে পড়ল দু’ফোঁটা চোখের জল।

শুক্রবার সেমিফাইনালে উত্তর কোরিয়ার কিম হিয়াং মিংকে হারিয়ে উঠেছিলেন ফাইনালে। প্রতিপক্ষ ছিলেন ইউক্রেনের হান্না ওখোটা। মহিলাদের ৪৮ কেজি বিভাগের ফাইনালে প্রথম রাউন্ডের কয়েক সেকেন্ড বাকি দিলে বাকি সময়টাই ইউক্রেনের প্রতিদ্বন্দ্বীকে দাঁড়াতেই দেননি মেরি।

আরও পড়ুন জিতল আইজল, লাল-হলুদের চোখে জল

নিজের রিফ্লেক্স, অভিজ্ঞতা আর বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে একের পর এক পয়েন্ট তুলেছেন। যত সময় গড়িয়েছে জয় আরও কাছে এসেছে। তবে এই জয়ের পেছনে আছে দীর্ঘ আট বছরের পরিশ্রমের গল্প। আট বছর আগে শেষবার ব্রিজটাউনে পেয়েছিলেন এই খেতাব। তারপর এ বার ঘরের মাঠে ঘরের সমর্থকদের সামনে বিশ্বচ্যাম্পিয়নের খেতাব পেলেন মেরি।

এই জয়ের সঙ্গে সঙ্গে মেয়েদের বক্সিংয়ে সবথেকে সফল মহিলা বক্সার হলেন মেরি কম। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে মোট ৭ টি পদক হয়ে গেল তাঁর। তারমধ্যে ৬ টি সোনা ও ১ টি ব্রোঞ্জ রয়েছে। তাঁর পরে রয়েছেন আইরিশ বক্সার কেটি টেলর। তাঁর রয়েছে ৬ টি পদক। কিন্তু টেলর এখন দেশের হয়ে খেলা ছেড়ে প্রফেশনাল বক্সার হিসেবে খেলেন।

২০০২ সালে আন্টালিয়াতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়ে শুরু হয়েছিল এই যাত্রা। তারপর একে একে ২০০৫ সালে পডলস্ক, ২০০৬ সালে দিল্লি, ২০০৮ সালে লিংবো, ২০১০ সালে ব্রিজটাউন। তারপর আবার এ দিন এল এই পদক। পদক পাওয়ার পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভেসে আসছে একের পর এক শুভেচ্ছা বার্তা। ৩৫ বছরের এই মণিপুরী মেয়ে আদর্শ হয়ে উঠছে হাজার হাজার ভারতীয়র। বুঝিয়ে দিচ্ছেন চোখে স্বপ্ন আর কঠোর অধ্যবসায় করলে সব অসাধ্য সাধন করা সম্ভব।

The Wall-এর ফেসবুক পেজ লাইক করতে ক্লিক করুন 

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More