শুক্রবার, আগস্ট ২৩

মজিদের স্মরণে এখনও সেই দার্জিলিং গোল্ড কাপ, বাদশা আবেগে ভাসল ইস্টবেঙ্গল মাঠ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মুখে মুখে ফিরে ফিরে আসে রূপকথারা। মজিদ বাসকার যেন একটা রূপ কথার নাম। লাল-হলুদের রূপকথা। কলকাতা ময়দানের রূপকথা।

সোমবার বিকেলে বাদশা আবেগে ভেসে গেল ইস্টবেঙ্গল তাঁবু। যাঁরা তাঁকে চাক্ষুস করতে এসেছিলেন, তাঁদের অনেকেই তাঁর খেলা নিজে চোখে দেখেননি। তবু এলেন। ৮০-র বাদশাকে দেখবেন বলে। কারণ মজিদ একটা রূপকথার নাম।

শনি ও রবিবার মাঝের রাতে বিমানবন্দরে নেমেই টের পেয়েছিলেন মজিদ। ওই রাতেও মজিদ-মজিদ চিৎকারে কেঁপে গিয়েছিল নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল। রবিবার এজিসি বোস রোডের হোটেলেই কেটেছে সারাদিন। আর সোমবার সকাল হতেই ইদ পালনে বেড়িয়ে পড়েছিলেন মজিদ। গাড়িতে সওয়ার হয়ে। আর সেই গাড়ির স্টিয়ারিং বসেছিলেন তাঁরই সতীর্থ জামশিদ নাসিরি। ময়দানের নস্টালজিয়ার ফ্রেম।

বিকেলে ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে তাঁর সাংবাদিক সম্মেলন করার কথা আগেই ঠিক ছিল। আর এ দিন সাংবাদিকদের স্মরণীয় ঘটনার কথা বলতে গিয়ে বললেন, ৮১ সালের দার্জিলিং গোল্ড কাপের ফাইনাল। বিপক্ষ ছিল মোহনবাগান। ৮০ মিনিট পর্যন্ত ২ গোলে পিছিয়ে ছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর যখন শেষ বাঁশি বেজেছিল, তখন স্কোরবোর্ডে ইস্টবেঙ্গল-৩, মোহনবাগান-২।

সাংবাদিকরাও প্রশ্নের পসরা নিয়ে বসেছিলেন এ দিন। কিংবদন্তীকে সামনে পেয়ে একের পর এক প্রশ্নের উত্তর দিলেন তাঁর স্কিলের মতোই সুক্ষ্ম ভাবে। জানিয়ে দিলেন তাঁর মতে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ফুটবলারের নাম লিওনেল মেসি। তাঁর সমসাময়িক সেরা ডিফেন্ডার? বাদশার উত্তর সুব্রত ভট্টাচার্য। বলেই হেসে ফেললেন।

আই লিগের খরা ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে। বাদশা জানিয়ে দিলেন, “ইস্টবেঙ্গল টিমগেম খেললে তবেই জিতবে আই লিগ।” আবার কখনও কলকাতায় আসবেন ভাবেনইনি। ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কথা দিয়েছিলেন শতবর্ষের অনুষ্ঠানে আসবেন। তাই চলে এসেছেন বলে জানালেন তিনি। মিস করলেন শঙ্করবাবাকে (ইস্টবেঙ্গলের প্রয়াত মালি)। আঁচ পেয়ে গেলেন বাদশা। মঙ্গলবার নেতাজি ইনডোরে আবেগের বিস্ফোরণ ঘটতে চলেছে।

Comments are closed.