দর্শকশূন্য স্টেডিয়াম গমগম করবে, ঘরে বসেই সমর্থন করা যাবে প্রিয় দলকে, ‘রিমোট চিয়ার’ অ্যাপ আনল জাপান

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা সংক্রমণের জেরে দু’মাসের উপর বন্ধ সব ধরনের খেলাধুলো। তবে যেসব দেশে সংক্রমণ কমেছে সেখানে ধীরে ধীরে শুরু হয়েছে খেলা। যেমন জার্মানিতে বুন্দেশলিগা শুরু হয়েছে সপ্তাহখানেক আগে। কিন্তু খেলা শুরু হলেও দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামেই খেলতে হচ্ছে প্লেয়ারদের। সমর্থকদের চিৎকার তাঁদের কানে যাচ্ছে না। এই সমস্যা সমাধানের জন্য টেকনোলজির সাহায্য নিচ্ছে জাপান। এমন একটি অ্যাপ তারা এনেছে, যার সাহায্যে ঘরে বসেই প্রিয় দলকে সমর্থন করা যাবে।

    এই অ্যাপের নাম ‘রিমোট চিয়ার সিস্টেম’। অ্যাপটি তৈরি করেছে জাপানি কোম্পানি ইয়ামাহা। তাদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে জাপানের ফুটবল টুর্নামেন্ট জে লিগের বেশ কিছু দল। জানা গিয়েছে, টিভি, রেডিও বা অনলাইনের মাধ্যমে খেলা দেখার সময় এই অ্যাপের মাধ্যমে ঘরে বসেই নিজেদের প্রিয় দলকে সমর্থন করা যাবে। ঘরে বসেই নিজেদের মোবাইলে তাঁরা চিৎকার, আনন্দ, দুঃখ সবকিছুই প্রকাশ করতে পারবেন। সেই আওয়াজ মাঠের মধ্যে লাগানো সাউন্ড সিস্টেমে শোনা যাবে।

    সম্প্রতি এই বিষয়ে একটি ট্রায়ালও করেছে জে লিগ। জাপানের শিজুকা স্টেডিয়ামে ৫৮টি লাউড স্পিকার লাগিয়ে ফ্যানদের আওয়াজ শোনানো হয়েছে। তাতে গমগম করেছে স্টেডিয়াম।

    ইয়ামাহা জানিয়েছে, এই অ্যাপের মাধ্যমে চিৎকার, খুশি প্রকাশ করলেও রেফারির বিরুদ্ধে কোনও বক্তব্য বা প্লেয়ারদের ব্যক্তিগত কিছু বলা যাবে না। এমনভাবে অ্যাপটি বানানো হয়েছে, এই ধরনের কথা সেন্সরে আটকে দেওয়া হবে। এই অ্যাপ ব্যবহার করে মাঠে না থেকেও মাঠে থাকার অনুভূতি পাবেন সমর্থকরা। অন্যদিকে প্লেয়াররাও যে পরিবেশে খেলতে অভ্যস্ত সেই পরিবেশ কিছুটা হলেও ফিরে পাবেন।

    জানানো হয়েছে, এই অ্যাপটিতে আরও কিছু কাজ বাকি রয়েছে। সেই কাজই শেষ করা হচ্ছে। আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে জে লিগ শুরু হচ্ছে। তার আগে এই অ্যাপ তৈরি হয়ে যাবে বলেই জানিয়েছে জানিয়েছে ইয়ামাহা।

    তবে প্লেয়ারদের একাংশ ও কিছু ক্লাবের কর্তারা বলেছেন, দর্শকভর্তি মাঠে খেলার যে অনুভূতি, তা কোনও অ্যাপের মাধ্যমে মেটানো যায় না। এতে খুব বেশি হলে ঘরে বসে থাকা সমর্থকদের চিৎকার প্লেয়াররা শুনতে পাবেন। কিন্তু তাঁদের দেখতে তো পাবেন না। গোল করে বা ম্যাচ জিতে তাঁদের সঙ্গে সেলিব্রেটও করতে পারবেন না। এটা অনেকটা দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানোর মতই অবস্থা।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More