বুধবার, মার্চ ২০

সন্দেশদের মরিয়া ডিফেন্স আটকে রাখল বাহরিনের আক্রমণকে

দ্য ওয়াল ব্যুরো : দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠার টিকিট নিশ্চিত করতেই আবু ধাবির জায়েদ স্টেডিয়ামে বাহরিনের বিরুদ্ধে নেমেছিলেন সুনীলরা। অন্যদিকে দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠার জন্য বাহরিনেরও দরকার ছিল জয়। প্রথমার্ধ জুড়ে আক্রমণের আধিক্য ছিল বাহরিনের।

এ দিন প্রথমেই ধাক্কা লাগে ভারতীয় দলে। মাত্র ২ মিনিটের মাথায় চোটের জন্য উঠে যেতে হয় আনাসকে। ফলে প্রথমেই কোচের পরিকল্পনায় বাধা পায়। বাধ্য হয়ে নামাতে হয় সালাম রঞ্জন সিংকে। অন্যদিকে আল সফি, আলি জুমা, আল সামাদদের হাত ধরে প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক শুরু করেছিল বাহরিন। নিজেদের শারীরিক ক্ষমতা ব্যবহার করছিল তারা। দুই প্রান্ত ধরে বারবার আক্রমণ তুলে আনছিল বাহরিন। মাঝেমধ্যে ভারতের ডিফেন্সে চাপ তৈরি হচ্ছিল।

অন্যদিকে মাঝমাঠে অনিরুদ্ধ থাপা না থাকায় আক্রমণ ঠিক দানা বাধছিল না। তারমধ্যেও উদান্ত, সুনীল ছেত্রীদের হাত ধরে কয়েকটা আক্রমণ তুলে আনে ভারত। কিন্তু সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। বলের আধিক্য অনেক বেশি ছিল বাহরিনের। আক্রমণের সংখ্যাও ছিল অনেক বেশি। বেশিরভাগ খেলাটাই হচ্ছিল ভারতের বক্সের বাইরে। কিন্তু সন্দেশ ঝিঙ্গানের দুরন্ত ডিফেন্সের ফলে গোলের মুখ খোলেনি।

আসলে মাঝমাঠের লড়াইয়ে পিছিয়ে পড়েছিলেন রওলিন বর্জেস, প্রণয় হালদাররা। ফলে বাধ্য হয়ে খেলোয়াড়দের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হচ্ছিল। আর সেই কারণেই আক্রমণ তুলে আনলেও অ্যাটাকিং থার্ডে এসে সব আক্রমণ খেই হারিয়ে ফেলছিল। কিন্তু ভারতের মরিয়া ডিফেন্সে গোল পায়নি বাহরিনও।

প্রথমার্ধে 0-0 ফলেই মাঠ ছাড়ে দুই দল। এই ফল থাকলে সেকেন্ড হয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে পৌঁছাবে ভারত। সেই আশাতেই ভারতীয় সমর্থকরা।

Shares

Comments are closed.