রবিবার, নভেম্বর ১৭

রোহিত-রাহাণের দাপটে প্রথম ইনিংসে বড় রান ভারতের, নেমে শুরুতেই চাপে প্রোটিয়ারা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আগের দুই টেস্টেও দেখা গিয়েছিল এই ছবিটা। প্রথমে ব্যাট করে বড় রান করে তারপর দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যানদের চাপে ফেলছিলেন ভারতীয় বোলাররা। রাঁচিতেও দেখা গেল সেই ছবি। প্রথমে রোহিত শর্মার ডবল সেঞ্চুরি ও আজিঙ্ক্যা রাহাণের সেঞ্চুরির দাপটে ৪৯৭ রানে ডিক্লেয়ার দিল ভারত। জবাবে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই শামির দুরন্ত বোলিংয়ে উইকেট হারালো দক্ষিণ আফ্রিকা। পরের ওভারেই দক্ষিণ আফ্রিকাকে দ্বিতীয় ঝটকা দিলেন উমেশ যাদব।

বৃষ্টির কারণে মাত্র ৫৮ ওভারের পরের শেষ হয়ে যায় প্রথম দিনের খেলা। দ্বিতীয় দিন ২২৪ রানে শুরু করে ভারত। আগের দিন বৃষ্টি হওয়ায় পিচে কিছুটা সুইং ছিল। ফলে প্রথম এক ঘণ্টা ধরে খেলেন রোহিত ও রাহাণে। এর মধ্যেই নিজের সেঞ্চুরি পূর্ণ করলেন রাহাণে। সেই ২০১৬ সালে দেশের মাঠে শেষ টেস্ট সেঞ্চুরি করেছিলেন রাহাণে। এ দিনের সেঞ্চুরি তাঁকে অনেকটাই স্বস্তি দিল।

উল্টোদিকে ধীরে ধীরে ডবল সেঞ্চুরির দিকে এগোচ্ছিলেন রোহিত। দেড়শ রান করার সঙ্গে সঙ্গেই এক রেকর্ড করলেন রোহিত। তিনিই একমাত্র ওপেনার যিনি দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে এক সিরিজে দু’বার দেড়শ রান করেছেন। সেঞ্চুরি করার পরে অবশ্য ১১৫ রানের মাথায় নবাগত জর্জ লিন্ডার বলে আউট হন রাহাণে।

তারপর জাদেজার সঙ্গে পার্টনারশিপ করেন রোহিত। লাঞ্চের বিরতিতে যাওয়ার সময় রোহিতের রান ছিল ১৯৯। লাঞ্চের বিরতির পর ফিরে এসে এনগিডিকে মিড উইকেটের উপর দিয়ে পুল করে ছক্কা মেরে নিজের প্রথম ডবল সেঞ্চুরি করেন রোহিত। তারপরও চালিয়ে খেলছিলেন তিনি। অবশেষে ২১২ রানের মাথায় এনগিডিকে ফের ছক্কা মারতে গিয়ে বাউন্ডারিতে রাবাদার হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রোহিত।

তারপর পার্টনারশিপ গড়েন ঋদ্ধিমান সাহা ও জাদেজা। দুজনেই চালিয়ে খেলছিলেন। ২৪ রানে আউট হন ঋদ্ধি। ১৪ করেন অশ্বিন। জাদেজা নিজের হাফসেঞ্চুরি করেন। ৫১ রান করে আউট হন তিনি। শেষদিকে উমেশ পাঁচটা ছক্কা মেরে ১০ বলে ৩১ করেন। ৯ উইকেটে ৪৯৭ রানে ভারতের ইনিংস ডিক্লেয়ার করে দেন বিরাট।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই শামির বলে আউট হন এলগার। পরের ওভারেই উমেশের শিকার হন ডি কক। দুটি ক্যাচই ধরেন ঋদ্ধি। এখন দেখার এই পরিস্থিতি থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা বেরাতে পারে কিনা।

পড়ুন, দ্য ওয়ালের পুজোসংখ্যার বিশেষ লেখা…..

Comments are closed.