বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১৪

আদিলের শেষ মুহূর্তের গোলে যুবভারতীতে মান বাঁচল ভারতের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফুটবলের মক্কায় ভারতের জয় দেখতে মাঠ ভরিয়েছিলেন ৬৫ হাজার দর্শক। কিন্তু মন ভরল না তাঁদের। বরং বলা যেতে পারে লজ্জার হাত থেকে বাঁচলেন সুনীলরা। নিজেদের থেকে ১০৩ ধাপ পিছিয়ে থাকা বাংলাদেশের কাছে হারের থেকে কোনওরকমে ভারতকে বাঁচালো আদিল খানের শেষ মুহূর্তের দুরন্ত হেড।

ম্যাচের আগেই বাংলাদেশের কোচ জেমি ডে দাবি করেছিলেন তাঁদের হারাতে যথেষ্ট পরিশ্রম করতে হবে ভারতকে। কারণ ভারতকে আটকানোর সব পরিকল্পনা নাকি সারা। ম্যাচের শুরুটাও তেমনই করেছিলেন ইয়াসিনরা। প্রথম ১০ মিনিটে একাধিক আক্রমণ তুলে আনেন সবুজ জার্সিধারীরা।

১০ মিনিটের পর থেকে ম্যাচের দখল নেয় ভারত। দুই উইং ব্যবহার করে আক্রমণে উঠতে থাকেন উদান্ত, আশিক কুরিয়েনরা। সুনীলকে জোনাল মার্কিংয়ে রাখলেও দ্বিতীয় স্ট্রাইকার মনবীর সিং, অনিরুদ্ধ থাপারা আক্রমণে উঠছিলেন। ৩৪ মিনিটের মাথায় মনবীরের ব্যাক হেড ক্রসবারে লাগে।

দেখে মনে হছিল যে কোনও মুহূর্তে গোল পেতে পারে ভারত। কিন্তু আদতে হল তার উল্টো। ৪২ মিনিটের মাথায় ফ্রিকিক পায় বাংলাদেশ। অধিনায়ক জামালের শট আটকাতে গোল ছেড়ে এগিয়ে আসেন গুরপ্রীত। কিন্তু বলের ফ্লাইট মিস করেন তিনি। গুরপ্রীত মিস করলেও নজর রেখেছিলেন বাংলাদেশের স্ট্রাইকার সাদ উদ্দিন। অসামান্য হেডে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি। এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। ০-১ গোলে পিছিয়েই ড্রেসিং রুমে যান সুনীলরা।

দ্বিতীয়ার্ধে গোল পরিশোধের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ভারত। কিন্তু বাংলাদেশের মজবুত ডিফেন্স ভাঙা যাচ্ছিল না। ৫২ মিনিটের মাথায় ইব্রাহিমের দুরপাল্লার শট পোস্টে লেগে ফেরে। ৫৯ মিনিটের মাথায় কর্নার থেকে মনবীরের হেড গোল লাইন সেভ করেন জামাল। তারপরেও একাধিক সুযোগ তৈরি করে ভারত। কিন্তু শেষ মুহূর্তে এসে খেই হারিয়ে যাচ্ছিল সুনীলদের সব আক্রমণ।

৭০ মিনিটের পর ঝাঁপ বন্ধ করে দেয় বাংলাদেশ। সবাই নীচে নেমে যায়। পায়ের জঙ্গলের মধ্যে থেকে গোল আসছিল না। সুনীলের ফ্রিকিক একটুর জন্য বাইরে যায়। ৮৮ মিনিটের মাথায় ব্রেন্ডন ফার্নান্ডেজের কর্নার থেকে হেডে গোল করে সমতা ফেরান আদিল খান। তারপরেও বেশ কিছু আক্রমণ করেছিল ভারত। কিন্তু গোল আসেনি। শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলেই শেষ হয় খেলা।

যদিও ম্যাচের পর গ্যালারি হাততালিতে ভরিয়ে দিল সুনীলদের। ফুটবলের মক্কা বুঝিয়ে দিল তাঁরা পাশে রয়েছেন ব্লু টাইগার্সদের।

পড়ুন, দ্য ওয়ালের পুজোসংখ্যার বিশেষ লেখা…

গান্ধীজির ট্যাঁকঘড়িটা চুরি গেল

Comments are closed.