বুধবার, মার্চ ২০

দুরন্ত কামব্যাক শামি-পান্ড্যদের, সিরিজ জিততে বিরাটদের দরকার ২৪৪

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রথম দুই ম্যাচে জয় পাওয়ায় সোমবারের ম্যাচই ছিল কার্যত সিরিজ ডিসাইডার। এই গুরুত্ত্বপূর্ণ ম্যাচে দুটি বদল করেছিল টিম ম্যানেজমেন্ট। দুরন্ত ফর্মে থাকা ধোনির বদলে কার্তিক এবং অলরাউন্ডার বিজয় শঙ্করের জায়গায় হার্দিক পান্ড্য। রস টেলর ও টম ল্যাথামের দুরন্ত পার্টনারশিপের পরেও ম্যাচে ফিরল ভারত। শামি-ভুবনেশ্বর-পান্ড্যদের আঁটোসাঁটো বোলিংয়ে ৪৯ ওভারে ২৪৩ করে অলআউট হয়ে গেল নিউজিল্যান্ড ব্যাটিং। সিরিজ জিততে ভারতের দরকার ২৪৪ রান।

ব্ল্যাক ক্যাপসদের ওপেনিং জুটি এই ম্যাচেও চলল না। মাত্র ২৬ রানের মধ্যেই আউট হয়ে গেলেন দুই ওপেনার কলিন মুনরো ও মার্টিন গাপটিল। অধিনায়ক কেন উইলেইয়ামসনও ২৮ রানের মাথায় চাহালের শিকার হন। তবে এই উইকেটে চাহালের থেকেও কৃতিত্ব বেশি হার্দিকের। বাজপাখির মতো ছোঁ মেরে তালুবন্দি করেন বল। তিন উইকেট পড়ে যাওয়ার পর খেলা ধরেন অভিজ্ঞ রস টেলর ও টম ল্যাথাম। দুজনে মিলে পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন। রান তোলার গতি বিরাট না হলেও উইকেট দিয়ে আসেননি তাঁরা।

আরও পড়ুন ককপিটে বসে ধূমপান! পাইলটের গাফিলতিতেই ভেঙে পড়েছিল ইউএস-বাংলা’র বিমান

দুজনেই হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। ১১৯ রানের পার্টনারশিপ গড়েন এই দুই কিউয়ি ব্যাটসম্যান। কিন্তু নিজের হাফসেঞ্চুরি করার পরেই চাহালের বলে আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন ল্যাথাম। সেঞ্চুরি থেকে সাত রান দূরে ৯৩ রানের নাথায় শামির বলে আউট হন রস টেলর। এই দুজন আউট হতেই ব্ল্যাক ক্যাপসদের সব প্রতিরোধ ভেঙে পড়ে। ১৭৮ রানে ৩ উইকেট থেকে ২৪৩ রানে অলআউট হয়ে যায় নিউজিল্যান্ড। অর্থাৎ মাত্র ৬৫ রানে পড়ে বাকি ৭ উইকেট।

ভারতীয় বোলারদের মধ্যে শামি ৩টি, ভুবনেশ্বর, চাহাল ও পান্ড্য ২টি করে উইকেট নিয়েছেন। হার্দিক শুধু উইকেটই নেননি, কৃপণ বোলিং করেছেন। ফিল্ডিংয়েও তিনি ছিলেন দুরন্ত। নির্বাসন কাটিয়ে ফিরে আসার পর প্রথম ম্যাচেই তিনি জানান দিলেন এই টিমের জন্য কতটা গুরুত্ত্বপূর্ণ তিনি।

জয়ের জন্য ২৪৪ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে নেমে ভারতের রান ৭ ওভারে কোনও উইকেট না খুইয়ে ৩৫ রান। ঝোড়ো ব্যাট করছেন ধাওয়ান। এখন দেখার বে ওভালেই বিরাট অ্যান্ড কোং সিরিজ নিজেদের দখলে করতে পারে কিনা।

The Wall-এর ফেসবুক পেজ লাইক করতে ক্লিক করুন 

Shares

Comments are closed.