বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১৪

কোহলি-ময়ঙ্ক-জাদেজার ব্যাটিং, উমেশ-শামির আগুনে বোলিংয়ে দ্বিতীয় দিনেই ম্যাচে কব্জা ভারতের

  • 120
  •  
  •  
    120
    Shares

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিশাখাপত্তনমের রিপ্লে দেখা গেল পুনেতে। প্রথমে ব্যাট করে পাহাড়-প্রমাণ রান খাড়া করার পর বল হাতে গতির আগুন ছোটালেন ভারতীয় বোলাররা। দ্বিতীয় দিনেই ম্যাচের উপর অনেকটাই কব্জা করল ভারত।

প্রথম দু’দিনের ছ’টা সেশনই ডমিনেট করল ভারত। প্রথমে ব্যাট হাতে। তারপর শেষ দিকে কয়েক ওভার বল হাতে। বিশাখাপত্তনমে ডবল সেঞ্চুরি করেছিলেন ময়ঙ্ক আগরওয়াল। দ্বিতীয় টেস্টেও সেঞ্চুরি এল ভারতের তরুণ ওপেনারের ব্যাট থেকে। আগের টেস্টের হিরো রোহিত শর্মা রান না পেলেই ১০৮ রানের দুরন্ত ইনিংস খেললেন ময়ঙ্ক।

 

মিডল অর্ডারে ফের স্থিরতা দিলেন পূজারা। আগরওয়ালের সঙ্গে সেঞ্চুরি পার্টনারশিপ গড়লেন। ৫৮ রান করে আউট হন পূজারা। তারপর পুনের দর্শকরা দেখলেন ‘দ্য বিরাট কোহলি শো’। প্রথমে ধীরে ধীরে পার্টনারশিপ গড়লেন রাহানের সঙ্গে। প্রথম দিন ৬৩ করে অপরাজিত ছিলেন। দ্বিতীয় দিনের শুরুতেও আধ ঘণ্টা ধীরে ধীরে খেললেন। তারপর গতি বাড়ালেন। ১৭৩ বলে চলতি বছরে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি করলেন কোহলি।

তারপরে দেখা গেল তাঁর আগ্রাসী রূপ। রানের গতি বাড়ালেন। চারের বন্যা বইল। কিন্তু একটাও বড় শট খেললেন না। চায়ের বিরতির পরেই নিজের সাত নম্বর ডবল সেঞ্চুরি করলেন বিরাট। অন্যদিকে সহ অধিনায়ক রাহানে ৫৯ করে আউট হলেও সেঞ্চুরির দিকে এগোচ্ছিলেন রবীন্দ্র জাদেজা। নিজের প্রথম আড়াইশো রান করেন কোহলি। দেখে মনে হচ্ছিল ট্রিপল সেঞ্চুরির লক্ষ্যে এগোচ্ছেন তিনি। শেষদিকে টি ২০ ক্রিকেট খেলছিলেন জাদেজা ও কোহলি। মাত্র ২৩৭ বলে ২২৫ রানের পার্টনারশিপ গড়েন তাঁরা।

 

কিন্তু ৯১ রানের মাথায় বড় শট খেলতে গিয়ে জাদেজা আউট হতেই ডিক্লেয়ার ঘোষণা করেন বিরাট। ২৫৪ রানে অপরাজিত থাকলেও টিমের স্বার্থ দেখলেন বিরাট।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই উমেশ যাদবের শিকার হন মার্করাম। উমেশের বলেই বোল্ড হন প্রথম টেস্টে সেঞ্চুরি করা এলগার। শামির ইনিংসের প্রথম বলেই ঋদ্ধিমান সাহার হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান বাভুমা। শেষ পর্যন্ত ৩ উইকেটের বিনিময়ে ৩৬ রানে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ করে দক্ষিণ আফ্রিকা। এখনও ৫৬৫ রানে পিছিয়ে তারা। এখন বিরাটরা চাইবেন তৃতীয় দিনের শুরুতে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দক্ষিণ আফ্রিকাকে অলআউট করা।

পড়ুন, দ্য ওয়ালের পুজোসংখ্যার বিশেষ লেখা…

সুন্দরবনের  দুটি দ্বীপ, ভূমি হারানো মানুষ

Comments are closed.