সোমবার, অক্টোবর ১৪

বিরাট সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হেলায় হারালো ভারত

দ্য ওয়াল ব্যুরো : বিশ্বকাপে লাগাতার রান করলেও সেঞ্চুরি আসছিল না ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলির ব্যাট থেকে। তাঁর মানসিকতা নিয়ে উঠেছিল প্রশ্ন। রবিবার ব্রায়ান লারা স্টেডিয়ামে সেইসব প্রশ্নকে নিজের রাজকীয় ভঙ্গিতে ক্যারিবিয়ান সমুদ্রের নীল জলে ফেললেন বিরাট। তাঁর সেঞ্চুরির সৌজন্যেই প্রথম ম্যাচে সহজে জয় পেল ভারত।

এ দিনও টসে জেতেন বিরাট। নেন ব্যাট করার সিদ্ধান্ত। প্রথম ওভারেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন চোট সারিয়ে ফেরা শিখর ধাওয়ান। চোট সারলেও ফর্মটা বোধহয় ইংল্যান্ডেই ফেলে এসেছেন এই বাঁ’হাতি ওপেনার। তারপর খেলা ধরলেন সেই রোহিত-কোহলি জুটি। এ দিন অবশ্য রোহিতের থেকে বেশি আক্রমণাত্মক দেখাচ্ছিল বিরাটকে। ম্যাচের পঞ্চম ওভারেই তিনি পাক কিংবদন্তী জাভেদ মিয়াঁদাদের ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে একদিনের ক্রিকেটে করা সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড ভেঙে দেন।

১৯ রান করে বাজে শট খেলে আউট হন রোহিত। চারে নামা পন্থও খেলার গতির বিপরীতে বোল্ড হয়ে ফেরেন। অন্যদিকে নিজের হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন কোহলি। তাঁর সঙ্গে পার্টনারশিপ গড়েন ভারতের আরেক তরুণ প্রতিভা শ্রেয়স আইয়ার। বেশি সুযোগ না পেলেও এ দিন সুযোগ কাজে লাগালেন শ্রেয়স। বিরাটের সঙ্গে মিলে তিনিও হাফসেঞ্চুরি করেন।

এর মধ্যেই নিজের ৪২ তম সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন বিরাট। শেষ পর্যন্ত ১২০ রানে আউট হন তিনি। শ্রেয়সও ৭১ রান করেন। ৫০ ওভারে ৭ উইকেট ২৭৯ তোলে ভারত।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই উইকেট হারাতে থাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মাঝে বৃষ্টিতে খেলা কিছুক্ষণ বন্ধ থাকায় ডাকওয়ার্থ লুইস নিয়মে টার্গেট হয় ৪৬ ওভারে ২৭০। কিন্তু বড় পার্টনারশিপ হয়নি ক্যারিবিয়ানদের। এভিন লুইস ৬৫ ও নিকোলাস পুরান ৪২ করেন। বাকিরা সেরকম বড় রান পাননি। ফলে ৪২ ওভারে ২১০ রানে অলআউট হয়ে যায় তারা। ভারতের হয়ে ভুবনেশ্বর কুমার ৪ এবং মহম্মদ শামি ও কুলদীপ যাদব ২টি করে উইকেট পান।

এ দিন ৫৯ রানে জিতে সিরিজে ১-০ এগিয়ে গেল ভারত। বাকি আর একটা ম্যাচ। অর্থাৎ সিরিজ যে ভারত হারবে না, তা নিশ্চিত। এখন পরের ম্যাচও এই মাঠে জিতেই একদিনের সিরিজ শেষ করতে চান বিরাটরা।

Comments are closed.