জয়ের মুখ থেকে হারের খাদে নিউজিল্যান্ড, ভারতের হাতে হোয়াইটওয়াশ

১০ নম্বর ওভারে শিবম দুবেকে মেরে ৩৪ রান তুলেছিলেন টেলর ও সিফার্ট। ৬০ বলে দরকার ছিল ৬৬। কিন্তু সেখান থেকে পরপর উইকেট পড়ল নিউজিল্যান্ডের। ফের জেতার মুখ থেকে হারল নিউজিল্যান্ড।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের এক ছবি। ফের জয়ের মুখ থেকে হারের খাদে তলিয়ে যাওয়া নিউজিল্যান্ডের। ফের নিজেদের ফোকাস ঠিক রেখে জয় তুলে নেওয়া ভারতের। সিরিজের পাঁচ ম্যাচ ধরে একই ছবি দেখা গেল। নিউজিল্যান্ডের মুখ থেকে জয় ছিনিয়ে নিল ভারত। ইতিহাস তৈরি হল নিউজিল্যান্ডে। হোয়াইটওয়াশ করে ৫-০ ব্যবধানে টি ২০ সিরিজ জিতল ভারত।

এদিন মাউন্ট মৌঙ্গানুইয়ে টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন বিরাটের বদলে ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা। কিন্তু এদিনও নিজের সুযোগ নষ্ট করলেন সঞ্জু স্যামসন। দ্বিতীয় ওভারেই ফিরে যান তিনি। তারপরে পার্টনারশিপ গড়েন লোকেশ রাহুল ও রোহিত শর্মা। প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন রাহুল। রোহিত শুরুতে কিছুটা সময় নিলেও ধীরে ধীরে ছন্দে ফিরছিলেন।

ঠিক যখন মনে হচ্ছিল বড় রান করবে ভারত, তখনই ছন্দপতন। বেনেটের বলে ৪৫ করে আউট হন রাহুল। অন্যদিকে নিজের ২৫ তম হাফসেঞ্চুরি করেন রোহিত শর্মা। কিন্তু তারপরেই রান নিতে গিয়ে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়ে ৬০ রানের মাথায় মাঠ ছাড়তে হয় রোহিতকে।

তারপরেই রানের গতি কিছুটা কমে যায় ভারতের। শ্রেয়স আইয়ার মারলেও সেই ছন্দে ছিলেন না। শিবম দুবেও কিছু বল নষ্ট করেন। দুবে আউট হওয়ার পর মনীশ পাণ্ডে কয়েকটা বড় শট খেলেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৬৩ তোলে ভারত। আইয়ার ৩৩ ও পাণ্ডে ১১ করে অপরাজিত থাকেন।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায় নিউজিল্যান্ড। পরপর গাপটিল, মুনরো ও ব্রুসের উইকেট হারান কিউয়িরা। তারপরে পার্টনারশিপ গড়েন নিজের ১০০তম ম্যাচ খেলতে নামা রস টেলর ও টিম সিফার্ট। উইকেট না পড়লেও রানের গতি ছিল ধীরে। কিন্তু শিবম দুবের একটা ওভার ছবিটা বদলে যায়। ১০ নম্বর ওভারে দুবেকে মেরে ৩৪ রান তোলেন সিফার্ট ও টেলর।

৬০ বলে ৬৬ রান দরকার ছিল নিউজিল্যান্ডের। দেখে মনে হচ্ছিল এদিন হয়তো সহজেই ম্যাচ জিতবে নিউজিল্যান্ড। কিন্তু আগের চার ম্যাচের ছবিটা ফের দেখা গেল। প্রথম সাইনির বলে ৫০ করে আউট হন সিফার্ট। তারপর আর পার্টনারশিপ হল না। নির্দিষ্ট ব্যবধানে উইকেট পড়ল। ড্যারেল মিচেলকে আউট করলেন বুমরাহ। স্যান্টনার ও কুগেলিনকে এক ওভারে আউট করেন শার্দুল ঠাকুর।

১৯ তম ওভারে ৫৩ রানের মাথায় রস টেলরকে আউট করে ম্যাচ ভারতের দিকে করে দেন নবদীপ সাইনি। শেষ ওভারে দরকার ছিল ২১ রান। কিন্তু শার্দুলকে দুটো বিশাল ছক্কা মারেন ইশ সোধি। অবশ্য নিজের নার্ভ ধরে রেখে ওভার শেষ করেন শার্দুল। ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৫৬ রান করে তারা। ৭ রানে ম্যাচ জেতে ভারত।

এদিনের জয়ের ফলে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ইতিহাস তৈরি করল ভারত। ৫-০ ব্যবধানে জিতে সিরিজ হোয়াইটওয়াশ করলেন বিরাটরা।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More