রবিবার, মার্চ ২৪

প্লাজার কাঁটায় বিঁধতেই হলো, ড্র করে লিগের লড়াই কঠিন করে ফেলল ইস্টবেঙ্গল

দ্য ওয়াল ব্যুরো: চেন্নাইকে ছোঁয়া হলো না। অ্যাওয়ে ম্যাচে জিতলেও, ঘরের মাঠে চার্চিলের বিরুদ্ধে ড্র করে বসল ইস্টবেঙ্গল। সেই সঙ্গে হারাল লিগ টেবিলের শীর্ষে যাওয়ার সুযোগ।

৬৮ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে আসা থ্রু থেকে ইস্টবেঙ্গল ডিফেন্ডার বোরহাকে কার্যত কাঁধে রেখে গোল করে যান লাল-হলুদের প্রাক্তনী উইলিস প্লাজা। এই নিয়ে ১৮ নম্বর গোল হয়ে গেল ক্যারিবিয়ান স্ট্রাইকারের। গতকালই হুঙ্কার দিয়ে বলেছিলেন, যতই বিশ্বকাপার ডিফেন্ডার থাক, গোল করবেনই। করেও দেখালেন। এমনিতেই আই লিগে দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন প্লাজা। সেই সঙ্গে লাল-হলু তাঁকে বাতিল করে দেওয়ায় ‘প্রতিশোধ’ স্পৃহাও ছিল। আদর্শ স্ট্রাইকারের মতো কাজের কাজতা করে গেলেন প্লাজা।

এরপর মরিয়া হয়ে আক্রমণে ঝাঁপায় ইস্টবেঙ্গল। ৭৮ মিনিটে চার্চিল বক্সের বাইরে ব্র্যান্ডনকে ফাউল করলে ফ্রিকিক পায় লাল-হলুদ। ডিকার ঠিকানা লেখা ডেড বল থেকে মাথা ছুঁইয়ে ১-১ করেন ইস্টবেঙ্গল মিডিও কাশিম আইদারা।

খেলার শুরু থেকেই লড়াই হতে থাকে সেয়ানে সেয়ানে। একেবারে বক্স টু বক্স ফুটবল। এর মধ্যেই ঠিক ১২ মিনিটের মাথায় ইস্টবেঙ্গল বক্সে ফাঁকায় বল পেয়ে যান চার্চিল মিডিও চেস্টরপল লিংডো। কিন্তু উড়িয়ে দেন তেকাঠির উপর দিয়ে। তবে দু’দলের ফুটবলাররাই কড়া ট্যাকলে জড়িয়ে পড়েন। প্রথম ৩০ মিনিটের মধ্যেই লাল-হলুদের দুই সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার বোরহা পেরেজ এবং জনি অ্যাকোস্টা হলুদ কার্ড দেখেন। ৩১ মিনিটে এনরিকের শট অল্পের জন্য বার উচিয়ে চলে যায়। ৪৪ মিনিটের মাথায় টনি ডোভালের শট চার্চিল গোলরক্ষক ভাস্করণ দুরন্ত সেভ করেন।

তবে লাজং ম্যাচে যে ইস্টবেঙ্গলকে দেখা গিয়েছিল, এ দিন তার ছিটে ফোঁটাও দেখা গেল না। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর পাঁচ মিনিটের মধ্যেই জোড়া পরিবর্তন সেরে নেন ইস্টবেঙ্গল কোচ আলেজান্দ্রো মেনেন্ডেজ। টনিকে বসিয়ে নামান স্যান্টোস কোলাডোকে। ডানমাওয়াইয়ার জায়গায় নামান ব্র্যান্ডনকে। যদিও তাঁকে তুলে নেওয়ায় মাঠ থেকে ওঠার সময় বিরক্তিও প্রকাশ করতে দেখা যায় গত ম্যাচের হ্যাট্রিকের নায়ককে।

এ দিন বেশ কয়েকবার সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন দু’দলের ফুটবলাররা। সারাক্ষণ ব্যস্ত থাকতে হয় রেফারিকে। ম্যাচের কুড়ি মিনিটে চুলোভার সঙ্গে একের বদলে এক সংঘর্ষে সাময়িক আঘাত পান চার্চিল গোলরক্ষক।  এই ম্যাচ ড্রয়ের পর ইস্টবেঙ্গলের পয়েন্ট হলো ১৬ ম্যাচে ৩২। কাশ্মীরের সঙ্গে সমান পয়েন্ট পেয়েও গোল পার্থক্য বেশি হওয়ায় দুইয়ে উঠে এল লাল-হলুদ।

Shares

Comments are closed.