বুধবার, জানুয়ারি ২৯
TheWall
TheWall

দিল্লির ধোঁয়াশা : মাঠে মুখোশ ক্রিকেটারদের, টুইটে মুখ খুললেন গম্ভীর

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত বছর ধোঁয়াশার জেরে ফিরোজ শাহ কোটলাতে মুখোশ পরে খেলেছিলেন শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটাররা। একই ছবি দেখা গেল এ বছর। রঞ্জি ট্রফির ম্যাচে মুম্বইয়ের খেলোয়াড়দের মাস্ক পরে ব্যাটিং করতে দেখা গেল। আর এর পরেই অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আপ সরকারকে এক হাত নিলেন দিল্লির ছেলে গৌতম গম্ভীর।

আরও পড়ুন আকবর একজন “সিরিয়াল অ্যাবিউজার”, “সম্মতিতে যৌন সম্পর্ক”- অস্বীকার করে টুইট পল্লবীর

এমনিতেই বছরের এই সময় পাঞ্জাব ও হরিয়ানায় ফসল কাটা হয়। ফলে উত্তুরে হাওয়ায় ফসলের অবশিষ্ট অংশ দিল্লির দিকেই আসে। তারসঙ্গে দিল্লি ও তার আশেপাশের কলকারখানার ধোঁয়া। সব মিলে মারাত্মক ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়। রীতিমতো ধোঁয়ার চাদরে ঢেকে যায় রাজধানী। গাড়ি বের করার ক্ষেত্রে জোড়-বিজোড় নীতি কিংবা সাধারণ মানুষকে বুঝিয়েও কোনও লাভ হয়নি।

কার্নাল সিং স্টেডিয়ামে রেলওয়েজের বিরুদ্ধে মুম্বইয়ের রনজি ম্যাচ ছিল। দ্বিতীয় সেশনে মুম্বইয়ের বেশ কিছু খেলোয়াড় মাস্ক পরে ব্যাট করতে নামেন। রেলওয়েজের খেলোয়াড়রাও অভিযোগ করেছেন, তাঁদের শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল। আপাতত দিল্লির দূষণমুক্ত হওয়ার ব্যাপারে কোনও পূর্বাভাস নেই। ফলে দিল্লি-এনসিআর থেকে রনজি ম্যাচ সরানোর ব্যাপারে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের উপর চাপ বাড়ছে। ইতিমধ্যে দিল্লি, রেলওয়েজ, সার্ভিসেসের মতো দলগুলো হোম ম্যাচ দিল্লির বাইরে খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এর মধ্যেই এই দূষণের জন্য আম আদমি পার্টিকে দোষারোপ করেছেন গৌতম গম্ভীর। ব্যঙ্গ করে টুইট করেছেন তিনি। টুইটে রীতিমতো একটি গান বেঁধে ফেলেছেন গম্ভীর। তিনি বলেছেন, ” দিল্লিতে আগে অক্সিজেন ছিল। এই অক্সিজেন আপ সরকার দিল্লি থেকে বের করে দিয়েছে। ফলে দূষণ বাড়ছে।” গম্ভীর আরও বলেন, ” আমাদের প্রজন্মও এই দূষণে আপ সরকারের প্রতিশ্রুতির মতোই উবে যাবে। এক বছর সময় পেয়েও ডেঙ্গু ও দূষণ, কোনওটাই নিয়ন্ত্রণ করতে পারল না আপ সরকার। ”

দূষণের কোপে দিল্লির যা অবস্থা, তাতে সাধারণ মানুষের পক্ষে জীবন ধারণ করাটাই কঠিন হয়ে পড়ছে। বিভিন্ন ধরণের রোগের প্রকোপ বাড়ছে। এই দূষণ কমার তো কোনও লক্ষণই নেই, তা বেড়েই চলেছে। এখন দেখার এর পরে দূষণ নিয়ন্ত্রণে আপ সরকার কোনও পদক্ষেপ নিতে পারে কিনা।

The Wall-এর ফেসবুক পেজ লাইক করতে ক্লিক করুন 

Share.

Comments are closed.