সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৩

বিদেশিদের ভিড়েও ডুরান্ড ফাইনালে কেরলের দুই ভূমিপুত্রের লড়াই দেখার অপেক্ষা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মোহনবাগান বনাম গোকুলাম? বাংলা বনাম কেরল? নাকি কেরল বনাম কেরল?

ডুরান্ড ফাইনালের কয়েক ঘণ্টা আগে এটাই এখন সবুজ মেরুন সমর্থকদের আলোচনার কেন্দ্র বিন্দু। ফুটবল মহলেরও।

মোহনবাগান এবং গোকুলাম- দু’দলকে ফাইনালে তোলার ক্ষেত্রেই ত্রাতার ভূমিকা নিয়েছিলেন দুই কেরলের ভূমিপুত্র। বাগান স্ট্রাইকিং লাইনে ভিপি সুহের এবং গোকুলাম তে’কাঠির নীচে উবেইদ।

বাগানের স্প্যানিশ কোচ কিবু ভিকুনা সেমিফাইনাল ম্যাচে রিয়েল কাশ্মীরের বিরুদ্ধে পরিবর্ত হিসেবে নামিয়েছিলেন সুহেরকে। সেই সুপার সাব সুহেরই হাসি ফুটিয়েছিল সবুজ-মেরুন জনতার মুখে।

প্রথমার্ধেই এক গোলে এগিয়ে গিয়েছিল মোহনবাগান। ৪২ মিনিটে সালভাদোর মার্টিনেজ পেরেজের গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে লকার রুমে যায় বাগান টিম। খেলা যখন অতিরিক্ত সময়ে, বাগান গ্যালারি যখন ফাইনালে ওঠার সেলিব্রেশন সারছে, তখনই ঘটে বিপত্তি। ক্রিজোর গোলে সমতা ফেরায় কাশ্মীর। এর পরে খেলা গড়ায় এক্সট্রা টাইমে। আর সেখানেই অন্য বাগান। এক্সট্রা টাইমের প্রথমার্ধের তিন মিনিটের মাথায় ২-১ করেন সুহের। এর পরে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আবার সুহেরের গোল। দুশ্চিন্তা ঘুচে যায় বাগান রিজার্ভ বেঞ্চের।

প্রথম সেমিফাইনাল ইস্টবেঙ্গল বনাম গোকুলাম গড়িয়েছিল টাই ব্রেকার পর্যন্ত। সেখানেই নিজের জাত চিনিয়েছিলেন উবেইদ। ইস্টবেঙ্গলের ডিকার শট পোস্টে লাগে। আর দুটি পেনাল্টি শট প্রতিহত হয় উবেইদের গ্লাভসে।

ইস্টবেঙ্গলে একসঙ্গে খেলেছেন উবেইদ এবং সুহের। এত বিদেশির মাঝেও ডুরান্ড ফাইনাল আজ দুই কেরল পুত্রের লড়াই দেখার অপেক্ষায়। এখন দেখার শনিবার বিকেল ৫টা থেকে যুবভারতীতে শুরু হওয়া এই খেলায় শেষ হাসি কে হাসে? সুহের নাকি উবেইদ?

Comments are closed.