বুধবার, অক্টোবর ১৬

অস্ট্রেলিয়াকে দুরমুশ করে বিশ্বকাপের ফাইনালে ইংল্যান্ড, নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন পেতে চলেছে ক্রিকেটদুনিয়া

দ্য ওয়াল ব্যুরো: লিগের ম্যাচে লর্ডসের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারতে হয়েছিল ইংল্যান্ডকে। সেমিফাইনালে সেই অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েই লর্ডসে পাড়ি দেবেন মরগ্যানরা। বিশ্বকাপের মিনি অ্যাসেজে অস্ট্রেলিয়াকে রীতিমতো গুঁড়িয়ে দিয়ে ফাইনালে উঠল ইংল্যান্ড। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড।

এ দিন টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন অজি অধিনায়ক ফিঞ্চ। কিন্তু শুরুতেই ধাক্কা দেন ইংল্যান্ডের বোলাররা। ক্রিস ওকস ও আর্চারের বিধ্বংসী স্পেলে মাত্র ১৩ রানে ৩ উইকেট পড়ে যায় অস্ট্রেলিয়ার। ফিঞ্চ শূণ্য, ওয়ার্নার ৯ ও হ্যান্ডসকম্ব ৪ করে আউট হন। তারপর পার্টনারশিপ গড়েন স্টিভ স্মিথ ও ক্যারি। আর্চারের বলে ক্যারির চোয়াল ফেটে গেলেও ব্যান্ডেজ বেঁধে খেলা চালিয়ে যান তিনি। ১০৩ রানের পার্টনারশিপ গড়েন দুজনে। ৪৬ রানের মাথায় আদিল রশিদের বলে আউট হন ক্যারি।

স্মিথ চলতি বিশ্বকাপে নিজের চার নম্বর হাফসেঞ্চুরি করেন। কিন্তু সেঞ্চুরি পাননি। ৮৫ রানের মাথায় রানআউট হন তিনি। ম্যাক্সওয়েল ২২ ও স্টার্ক ২৯ করলেও কেউ বড় ইনিংস খেলতে পারেনি। ৪৯ ওভারে ২২৩ রানে অলআউট হয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন ইংল্যান্ডের দুই ওপেনার জেসন রয় ও জনি বেয়ারস্ট। রয়কে বেশি খতরনাক দেখাচ্ছিল। অজি বোলারদের দাঁড়াবার সুযোগ দেননি দুজন। এ দিন ফের ১২৪ রানের পার্টনারশিপ করলেন তাঁরা। শেষ পর্যন্ত ৩৪ রানের মাথায় আউট হন বেয়ারস্ট। জেসন রয় ৮৫ করে আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্তে আউট হয়ে ফেরেন। বাকি কাজটা করে দেন জো রুট ও অধিনায়ক মরগ্যান। রুট ৪৯ ও মরগ্যান ৪৫ করে অপরাজিত থাকেন। ৩২.১ ওভারে ৮ উইকেটে ম্যাচ জিতে যায় ইংল্যান্ড।

এ দিনের জয়ের ফলে ১৯৯২ সালের পর ২৭ বছর বাদে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল ইংল্যান্ড। সে বার পাকিস্তানের কাছে হেরে স্বপ্ন ভেঙেছিল। কিন্তু এ বার সুযোগ ক্রিকেটের মক্কায় নিজেদের সমর্থকদের সামনে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার। তবে ইংল্যান্ড বা নিউজিল্যান্ড যেই জিতুক, এক নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন পেতে চলেছে ক্রিকেটদুনিয়া। তাও আবার ক্রিকেটের আঁতুরঘরে।

Comments are closed.