শনিবার, মার্চ ২৩

আই লিগের ফিরতি ডার্বিতে প্রথমার্ধে লাল-হলুদ দাপট, কোলাডোর গোলে এগিয়ে ইস্টবেঙ্গল

দ্য ওয়াল ব্যুরো: খেলার প্রথম তিন-চার মিনিট দেখে মনে হয়েছিল, মোহনবাগান হয়তো আগের ডার্বি হারের বদলা নিয়ে নেবে। প্রথমেই সনির নেতৃত্বে কয়েকটি আক্রমণ তুলে আনে সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। কিন্তু পাঁচ মিনিটের পর থেকে বদলে গেল ছবি। মাঝমাঠের দখল নিলেন লালরিন্ডিকা, কাশিম আইদারা, কোলাডোরা। সেইসঙ্গে চুলোভার জালে আটকে গেলেন সনি। ফলে বাকি সময়টা লাল-হলুদ ঝড় উঠল যুবভারতীয় সবুজ গালিচায়। সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে প্রথমার্ধেই ২-৩ গোলে এগিয়ে যেতে পারতেন জবিরা। কিন্তু কোলাডোর করা গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই লকার রুমে গেলেন আলেজান্দ্রো মেনেন্ডেজের ছেলেরা।

এ দিন দুরন্ত খেললেন চুলোভা। সনিকে নড়তে দিলেন না। ছিনে জোঁকের মতো লেগে থাকলেন হাইতিয়ান ম্যাজিশিয়ানের সঙ্গে। সেইসঙ্গে ওমরকে সামলালেন কাশিম আইদারা। আর সনি-ওমর থেমে যেতেই ছন্নছাড়া হয়ে গেল মোহনবাগানের আক্রমণ। অনেকদিন পর চোট সারিয়ে খেলতে নামা পিন্টুকে সাবলীল দেখালো না। দুই বিদেশি স্ট্রাইকার ডিকা-হেনরি বেশিরভাগ সময় অফসাইডেই কাটালেন। তার ফলে ভালো কোনও আক্রমণ তুলে আনতে পারলেন না খালিদ জামিলের ছেলেরা।

অন্যদিকে মাঝমাঠের দখল নেওয়ায় খুব সহজেই বিপক্ষের অ্যাটাকিং থার্ডে পৌঁছে যাচ্ছিলেন টনি ডোভালে, কোলাডো, জবিরা। ৭ মিনিটের মাথায় ডানমাওয়াইয়ার শট সরাসরি শিল্টনের হাতে চলে যায়। ১৯ মিনিটের মাথায় কিমকিমা ও শিল্টনের ভুল বোঝাবুঝিতে সুযোগ পান জবি। কিন্তু গোল হয়নি। অন্যদিকে যে দু-একবার মোহবাগান আক্রমণে উঠল, তা সনির পা থেকে। কিন্তু সুযোগ মিস করলেন ডিকা-কিসেকা।

৩৫ মিনিটের মাথায় একটা নিরীহ বল ক্লিয়ার করতে ভুল করলেন কিংসলে। বরং বলা ভালো তাঁকে ভুল করালেন জবি। গায়ের সঙ্গে লেগে থেকে কিংসলের কাছ থেকে বল ছিনিয়ে নিয়ে বক্সে ঢুকে ঠিকানা লেখা ক্রস বাড়ালেন কোলাডোর জন্য। বরফ শীতল মাথায় সেই বল ধরে একজন ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করে আগুয়ান শিল্টনের বাঁদিক দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন কোলাডো। এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল।

গোল খাওয়ার পর শোধের জন্য অনেক চেষ্টা করে বাগান। ৪১-৪২ মিনিটের মাথায় পরপর দুটো কর্নার পেয়েও গোলের মুখ খুলতে পারেনি বাগান। এখন দেখার দ্বিতীয়ার্ধে খেলার ছবি পাল্টায় কিনা।

Shares

Comments are closed.