মঙ্গলবার, নভেম্বর ১২

স্প্যানিশ ছটায় জ্বলল মশাল, কালীঘাটকে হারিয়ে ফের লড়াইয়ে ইস্টবেঙ্গল

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পিয়ারলেসের বিরুদ্ধে হেরে এই মাঠই হয়ে উঠেছিল উত্তপ্ত। রেফারি নিগ্রহের ঘটনায় নির্বাসিত হতে হয় ইস্টবেঙ্গল অধিনায়ক লালরিন্ডিকা রালতে ও মেহতাব সিংকে। কিন্তু পরের দিন সেই মাঠেই ফুল ফোটালেন লাল-হলুদ ফুটবলাররা। এ দিন মাঝমাঠে অনবদ্য ফুটবল খেললেন জুয়ান মেরা গঞ্জালেজ। তাঁর দাপটেই একের পর এক আক্রমণ তুলল ইস্টবেঙ্গল ফুটবলাররা। ফলে কালীঘাট মিলন সঙ্ঘকে ৪-২ গোলে হারাল ইস্টবেঙ্গল।

এ দিন শুরু থেকেই দাপট ছিল লাল-হলুদ ফুটবলারদের। কোচ আলেজান্দ্রো মেনেন্ডেজ মাঝমাঠে স্যান্টোস কোলাডোর সঙ্গে জুড়ে দিয়েছিলেন জুয়ান মেরাকে। ফলে অনেক সপ্রতিভ লাগল লাল-হলুদ আক্রমণভাগকে। ১৮ মিনিটের মাথায় ফাঁকা গোলে বল ঠেলতে ব্যর্থ হন কোলাডো। খেলার গতির বিপরীতে ধাক্কা খায় ইস্টবেঙ্গল। ৩৭ মিনিটের মাথায় পরিবর্ত হিসেবে নামা তুহিন শিকদার বাঁ পায়ের বাঁক খাওয়ানো শটে গোল করে এগিয়ে দেন কালীঘাটকে। চার মিনিট পরে জুয়ান মেরার কর্নার থেকে ফিরতি বলে গোল করে সমতা ফেরান বিদ্যাসাগর সিং।

দ্বিতীয়ার্ধে গোলসংখ্যা বাড়ানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ইস্টবেঙ্গল। ৬০ মিনিটের মাথায় পিন্টু মাহাতার শট বের করতে গিয়ে নিজেদের জালেই জড়িয়ে দেন কালীঘাটের ফুটবলার। এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। পাঁচ মিনিট বাদে ফের জুয়ান মেরার থেকে বল পেয়ে গোলকিপারকে পরাস্ত করেন বিদ্যাসাগর। কিন্তু তিনি গোল করতে না পারলেও ফিরতি বলে গোল করেন কোলাডো।

৮২ মিনিটের মাথায় কালীঘাটের হয়ে ব্যবধান কমান রাকেশ পাসোয়ান। অবশ্য পরের মিনিটেই বোরহা গোমেজের লং বল ধরে আগুয়ান গোলকিপারকে পরাস্ত করে দলের চতুর্থ ও নিজের দ্বিতীয় গোল করেন কোলাডো। শেষ পর্যন্ত ৪-২ ব্যবধানে জিতেই মাঠ ছাড়লেন লাল-হলুদ ফুটবলাররা।

এই জয়ের ফলে মোহনবাগানকে টপকে সাত ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে লিগ লিডার্স পিয়ারলেস ও ভবানীপুরকে ছুঁয়ে ফেলল ইস্টবেঙ্গল।

আরও পড়ুন

এরিয়ানের কাছে হারল বাগান, খেলা শেষে উত্তেজনা কল্যাণীর মাঠে

Comments are closed.