রবিবার, সেপ্টেম্বর ২২

আলেজান্দ্রোর স্ট্র্যাটেজিতে জামশেদপুরকে গোলের মালা ইস্টবেঙ্গলের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: এমনিতে গঙ্গায় বান এলে জল উঠে যায় ইস্টবেঙ্গল মাঠের বাইরে পর্যন্ত। এই বর্ষার মরসুমে খেলা হলে কত ম্যাচ যে সমর্থকরা জুতো হাতে নিয়ে, প্যান্ট গুটিয়ে গ্যালারিতে ওঠেন তার ইয়ত্তা নেই। ডুরান্ডের দ্বিতীয় ম্যাচে বান এল ইস্টবেঙ্গল মাঠে। তবে তা গোলের। আর তাতে কার্যত ভেসে গেল জামশেদপুর এফসি।

প্রথম ম্যাচে গোলের জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছিল ৮২ মিনিট পর্যন্ত। ইস্টবেঙ্গল কোচ আলেজান্দ্রো মেনেন্ডেজ গার্সিয়া বুঝিয়ে নিয়েছিলেন কী করতে হবে। প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটি বদল আনতেই বেশ কয়েকটি পরিবর্তন করলেন। আর ফল পেলেন হাতেনাতে। জামশেদপুর উড়ে গেল ৬-০ গোলে। জোড়া গোল কোলাডো এবং বিদ্যাসাগর সিং-এর। একটি করে গোল বৈথাং হাওকিপ এবং জঙ্গলমহলের মারাদোনা পিন্টু মাহাতোর। ম্যাচের সেরাও হলেন বাগান থেকে লাল-হলুদে আসা পিন্টু।

গোলকিপার থেকে ডিফেন্স, মাঝমাঠ, ফরওয়ার্ড- সর্বত্র বদল করেন লাল-হলুদের স্প্যানিশ কোচ। গোলে এ দিন খেললেন মিরশাদ। কাশিম আইদারা, পিন্টু, নতুন বিদেশি মার্তি, বিদ্যাসাগর কার্যত প্রথম একাদশের খোলনলচে বদলে দেন আলেজান্দ্রো। আর তাতেই যেন অন্য ইস্টবেঙ্গল। প্রথম গোল আসে পেনাল্টি থেকে। বক্সের ভিতর কোলাডোকে ফাউল করেন জামশেদপুরের গোলকিপার। পেনাল্টি দেন রেফারি। গোল করেন কোলাডো। দ্বিতীয় গোলও আসে তাঁর পা থেকে। ৩১ মিনিটে ক্লিনিক্যাল ফিনিশে ৩-০ করেন পিন্টু।

শুধু একটা গোল নয়, গোটা মাঠ জুড়ে দাপিয়ে ফুটবল খেললেন পিন্টু মাহাতো। চোখ টেনে নিলেন সকলের। ৭৫ এবং ৭৯ মিনিটে পরপর দুটি গোল করেন বিদ্যাসাগর সিং। একেবারে শেষ পর্যায়ে জামশেদপুরের কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন বৈথাং। ব্র্যান্ডনের পাস থেকে আগুয়ান গোলরক্ষককে মাটি ধরিয়ে সেকেন্ড পোস্টের কোণাকুণি। ইস্টবেঙ্গলের পরের খেলা শুক্রবার। তবে তা ঘরোয়া লিগের প্রথম ম্যাচ। লাল-হলুদ নামবে জর্জের বিরুদ্ধে। তবে ডুরান্ডে এই ম্যাচ জয়ের পর সেমিফাইনালের টিকিট এক রকমের পাকা হয়ে গেল ইস্টবেঙ্গলের।

Comments are closed.