‘তোমরাই আমার জার্সি নম্বর ১০’, কলকাতার কান্না আর কুয়াশা মেখে উড়ে গেলেন আলেজান্দ্রো

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: তখনও ঘুম ভাঙেনি কলকাতার। দমদম বিমানবন্দর ঢেকে রয়েছে গাঢ় কুয়াশায়। সঙ্গে একটা গুমোট পরিবেশ। শতখানেক লাল-হলুদ সমর্থক ওই ভোরেই পৌঁছে গিয়েছিলেন বিমানবন্দরের ইন্টারন্যাশনাল টার্মিনালের সামনে। সমর্থকদের কান্না আর কলকাতার কুয়াশা মেখে স্পেনের উদ্দেশে উড়ে গেলেন আলেজান্দ্রো মেনেণ্ডেজ গার্সিয়া। কলকাতার মাটি থেকে তাঁর ফ্লাইট ওড়ার আগে নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে ইস্টবেঙ্গল জনতার উদ্দেশে লিখে গেলেন, “তোমরা আমার হৃদয়ে থাকবে। তোমরাই আমার জার্সি নম্বর ১০।”

দেড় বছরের মধ্যেই সমর্থকদের কাছে ‘আলে স্যার’ হয়ে উঠেছিলেন একদা রিয়েল মাদ্রিদ ‘বি’ দলের দায়িত্ব সামলানো কোচ। কিন্তু এবারের আইলিগে পরপর তিন ম্যাচ হারের পরই ইস্তফা দেন তিনি। অনেকের মতে ময়দানি রাজনীতির চাপে পড়েই ইস্তফা দিতে হয়েছে আলেজান্দ্রোকে। কিন্তু সরকারি ভাবে জানানো হয়েছে, তিনি ব্যক্তিগত সমস্যা দেখিয়েই চাকরি ছেড়েছেন।

আলে বিদায় নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত লাল-হলুদ সমর্থকরা। একাংশের মত, উনি বড় কোচ হতেই পারেন। কিন্তু সাফল্যটাই শেষ কথা। সেইসঙ্গে তাঁরা জুড়ে দিচ্ছেন বড় ম্যাচ হারের পরও সাংবাদিক সম্মেলনে ‘দম্ভের’ কথা।আর একটা বড় অংশের সমর্থকদের মত, হাতের মুঠোয় হীরে পেয়েও দাম দেওয়া হল না।

তাঁর টিমে কোনও খেলোয়াড়ের জার্সি নম্বর ১০ ছিল না। গতকাল আনসুমানা ক্রোমাকে সই করানোর পর ১০ নম্বর জার্সি দেওয়া হয়েছে। আলেকে প্রশ্ন করা হয়েছিল আপনার দলে কারও জার্সির নম্বর ১০ নেই কেন? জবাবে স্প্যানিশ ভদ্রলোক বলেছিলেন, “ওই ১০ নম্বর জার্সিটা আমি ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের দিয়েছি। দে আর মাই জার্সি নম্বর টেন।”

বৃহস্পতিবার সকালে এয়ারপোর্টের বাইরে শেষ সেলফি তোলার ধুম চলল। কেউ কেউ ফোনের ব্যাক কভারে নিয়ে রাখলেন আলেজান্দ্রোর অটোগ্রাফ। হাউহাউ কান্নায় ভেঙে পড়লেন কেউ কেউ। চোখ ছলছল করেই লাউঞ্জের দিকে এগিয়ে গেলেন আলেজান্দ্রো মেনেণ্ডেজ গার্সিয়া। বিদায় কলকাতা।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More