মঙ্গলবার, জুন ২৫

প্লাস্টিক নয়, কলাপাতায় মুড়ে আনাজ বিক্রি বাজারে! পরিবেশ রক্ষায় পথ দেখাচ্ছে এই দেশ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের দাপটে সঙ্কটে সারা বিশ্ব। পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে তোলার চেষ্টায় নানা বয়সের, নানা দেশের মানুষ সামিল হচ্ছেন নানা ভাবে। সম্প্রতি সে রকমই একটা উদ্যোগ ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। থাইল্যান্ডের একটি বাজারের ছবি সামনে এসেছে, যেখানে প্লাস্টিকের বদলে কলাপাতায় মুড়ে বিক্রি হচ্ছে আনাজপত্র।

থাইল্যান্ডের চিয়াং মায়ের রিম্পিং সুপারমার্কেটের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে গোটা বিশ্ব। তবে এই প্রথম নয়। দূষণ রোধে নানা পদক্ষেপের জন্য ইতিমধ্যেই থাইল্যান্ড বিপুল প্রশংসিত হয়েছে। এ বার এক ধাপ এগিয়ে প্লাস্টিক বর্জনের পথে হেঁটে আনাজ ও সব্জি মুড়ে দেওয়ার জন্য কলাপাতার ব্যবহার শুরু করলো তারা।

প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধ করার বার্তা দেওয়া ফেসবুক পোস্টটিতে এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বেশ কয়েকটি ছবি দেওয়া হয়েছে। তাদের এই পোস্টটি ১৭ হাজারেরও বেশি শেয়ার করা হয়েছে। মন্তব্যও করেছেন অসংখ্য মানুষ। 

দেখুন সেই ফেসবুক পোস্ট।

Well done Veggie first and Rimping. Let's hope there are more great ways to cut plastic!

Perfect Homes Chiangmai এতে পোস্ট করেছেন বৃহস্পতিবার, 21 মার্চ, 2019

‘‘পৃথিবীর জন্য ক্ষতিকারক প্লাস্টিকের বদলে জৈব কলাপাতার ব্যবহার দেখে ভিতরে একটা আনন্দের আগুন জ্বলে উঠল। দোকানদারেরা ক্রেতাদের অবশ্য ব্যাগ কিনে নেওয়া বা বাড়ি থেকে নিয়ে আসার পরামর্শও দিচ্ছেন। জনপ্রিয় সব্জির দোকানগুলি কলাপাতায় মুড়ে সব্জি বিক্রি করছে। আর সুতো দিয়ে তা বেঁধে দেওয়া হচ্ছে।”— লিখেছে দ্য রিয়েল এস্টেট কোম্পানি।

এক জন লিখেছেন, ‘‘এই আইডিয়াটা খুব ভালো। আর কোনও প্লাস্টিক ব্যাগের দরকার নেই।” আর এক জন বলেন, ‘‘বড় উদ্দেশ্যের জন্য ছোট্ট পদক্ষেপ, আমাদের মধ্যে ইতিবাচক আশা জাগাচ্ছে।” এই পরিবেশবন্ধু ভাবনা টুইটারেও প্রশংসার ঝড় তুলেছে।  

তথ্য বলছে, শেষ পঞ্চাশ বছরে সারা বিশ্বে প্রায় ১০ বিলিয়ন টন প্লাস্টিক ব্যাগ উৎপাদিত হয়েছে। ইউএনও-র মতে প্লাস্টিক ব্যাগের এই বাড়বাড়ন্ত পরিবেশকে এক দুঃসহ বিপদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। সমুদ্রের দূষণ ভয়াবহ হয়ে উঠেছে।

অনেকেরই আশা, পরিবেশের এই সঙ্কটের সময়ে এমন একটি উদ্যোগ আশার দিশা দেখাবে পৃথিবীকে।

আরও পড়ুন…

অন্য এক স্বচ্ছ-অভিযান! শরীর-মনের বাধা সরিয়ে সবুজের বাজারে বেচাকেনায় মেতেছে ওরা

Comments are closed.