উন্নাওয়ের ধর্ষিতাকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা, শরীরের ৭০ শতাংশই পুড়ে গেছে তরুণীর

২৩

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গণধর্ষিতা হয়েছিলেন। ছিঁড়েখুঁড়ে গিয়েছিল শরীর। রক্তাক্ত মন নিয়েও লড়াইটা চালিয়ে গিয়েছিলেন তরুণী। অপরাধীদের যোগ্য শাস্তি দেওয়ার জন্য গর্জে উঠেছিলেন এই সাহসিনী। তারই ভয়ঙ্কর পরিণতি হল আজ। আরও এক নৃশংতার সাক্ষী হল দেশ। লজ্জায় মাথা নত হল উত্তরপ্রদেশের। উন্নাওয়ের নির্যাতিতাকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করল ধর্ষণে অভিযুক্তরাই।

উত্তরপ্রদেশের উন্নাওয়ে গত মার্চে পাঁচ জন মিলে ধর্ষণ করে বছর তেইশের ওই তরুণীকে। ধর্ষিতার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তিন জনকে গ্রেফতার করে। বাকি দু’জন এখনও ফেরার। গত সপ্তাহে জামিনে ছাড়া পায় অভিযুক্তরা।

বৃহস্পতিবার সকালে সেই ধর্ষণের মামলায় শুনানির জন্য তরুণী যখন আদালতে যাচ্ছিলেন, তাঁর রাস্তা আটকে দাঁড়ায় পাঁচজন। তরুণী সেই সময় ছিলেন রেল গেটের কাছে। তাঁকে টেনে হিঁচড়ে পাশের ধান ক্ষেতের মধ্যে নিয়ে যায় অভিযুক্তরা। সেখানেই তাঁর গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। তরুণীর আর্তনাদে ছুটে আসেন স্থানীয়রা। খবর যায় পুলিশে। তরুণীকে যখন উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁর শরীরের বেশিরভাগটাই পুড়ে গেছে।

আরও পড়ুন: কালভার্টের নীচে মহিলার দেহ, ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ

পুলিশ জানিয়েছে, তরুণীকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টায় অভিযুক্ত পাঁচজনের তিনজন ধর্ষণে অভিযুক্ত। জামিনে ছাড়া পাওয়ার পরেই তারা তরুণীর খোঁজে গ্রামের আশপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। এদিনও আদালতে যাওয়ার নির্যাতিতার পিছু নেয় তারা। রেল গেটের কাছে নির্জন জায়গা দেখে সেখানেই তরুণীকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করে।

আরও পড়ুন: গণধর্ষণ করে, গুলি মেরে, পুড়িয়ে খুন! হায়দরাবাদের নৃশংস ছায়া এবার বিহারের বক্সারে, আতঙ্ক চরমে

হাসপাতালে এখন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন তরুণী। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তাঁর শরীরের ৬০-৭০ শতাংশই পুড়ে গেছে। তাঁকে চিকিৎসার জন্য দ্রুত নিয়ে যাওয়া হচ্ছে লখনউতে।

উন্নাওয়ের পদস্থ পুলিশ অফিসার বিক্রম বীর বলেন, “আমরা সকালেই খবর পেয়েছি। আক্রান্ত তরুণী অভিযুক্তদের নাম বলেছেন। তিনজন ইতিমধ্যে গ্রেফতার হয়েছে। আরও দু’জনের খোঁজে তল্লাশি চলছে।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More