শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২০

জলের তলায় রেল লাইন, মুম্বইতে থমকে গেছে লোকাল ও দূরপাল্লার পরিষেবা, স্টেশনগুলিতে হাজার যাত্রীর ভিড়

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বৃষ্টি থামার নাম নেই। আবারও বানভাসি বাণিজ্যনগরী। অবিরাম বৃষ্টিতে জলের তলায় রেল লাইন। সমুদ্রে উঁচু ঢেউয়ের কারণে শনিবার রাত থেকেই ঠাণে ও পানভেল সেকশনে ট্রেন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে মুম্বইয়ের সেন্ট্রাল রেলওয়ে। লাইনে জল জমায় দেরিতে চলছে সেন্ট্রাল এবং হারবার লাইনের লোকাল ট্রেন। দুপুরের পরে সেটাও বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে বলে রেল সূত্রে খবর। এ দিকে রেল পরিষেবা ব্যাহত হওয়ায় জোর ধাক্কা খেয়েছে মুম্বইয়ের লোকাল-ট্রেন নির্ভর জনজীবন। স্টেশনগুলিতে গতকাল রাত থেকই উপচে পড়ছে ভিড়।

রেল সূত্রে খবর, অতি ভারী বৃষ্টি এবং সমুদ্রে অতি উঁচু ঢেউয়ের কারণে (রেকর্ড প্রায়  রেকর্ড, ৪.৯০ মিটার) ) ট্রেন লাইন কার্যত জলের তলায়। কুরলা, সিয়ম ও চুনাভাটি সেকশনে ট্রেন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। সেন্ট্রাল রেলওয়ের মুখপাত্র সুনীল উদাসির কথায়, “লাইন ডুবে যাওয়ায় শনিবার দুপুরেই কুর্লা-সায়ন এবং কুর্লা-চুনাভাট্টি লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। লোকাল ট্রেনও খুব ধীরে চলছে। আজকে দুপুরের পরে লোকাল পরিষেবাও বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে।” জমা জলে অন্ধেরী, মালাড, দহিসরের রাস্তায় যানজট বেড়েছে।

রেল লাইন থেকে জল সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। সিএসএমটি ও দাদার সেকশনে কয়েকটি স্পেশাল ট্রেন চালানো হতে পারে। বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন জানিয়েছে, দক্ষিণ মুম্বইয়ের স্টেশনগুলিতে আটকে পড়া যাত্রীদের জন্য ক্যাম্প খোলা হয়েছে বোরা বাজার এলাকার মনোহরলালজি স্কুলে। তা ছাড়াও বিভিন্ন স্কুল-কলেজগুলিতে জরুরি কালীন শিবির খোলা হয়েছে। সেখানে হাজির হয়েছে উদ্ধারকারী দলও।

ভারতীয় আবহাওয়া অফিসের মুম্বই শাখার ডেপুটি ডিরেক্টর কে এস হোসালিকর টুইট করে বলেছেন, উপসাগরে নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়েছে। তার জেরে শনি ও রবিবার শহরে অতি ভারী বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। মুম্বই, থানে ও পালঘার সহ উত্তর কোঙ্কন এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাত আরও চার থেকে ছয় ঘণ্টা চলবে। ট্রাফিক পুলিশ শহরবাসীকে সতর্ক করে বলেছে, জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে বেরোবেন না। কেউ যদি দক্ষিণ মুম্বইয়ে যান, বান্দ্রা-ওরলি সি লিঙ্ক ব্যবহার করুন।

Comments are closed.