শুক্রবার, নভেম্বর ২২
TheWall
TheWall

‘ঘরছাড়া শিশুদের পাশে দাঁড়ান’, বিশ্ব শরণার্থী দিবসে মন ছুঁয়ে যাওয়া ভিডিও প্রকাশ প্রিয়াঙ্কার

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আর পাঁচ জন বলিউড তারকার চেয়ে বরাবরই একটু অন্য রকম তিনি। তা তাঁর সাজপোশাকই হোক, সামাজিক কাজকর্মই হোক, বা সুন্দর বক্তৃতাই হোক। নানা সময়ে নানা রকম বিষয়ে অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন তিনি। এই গুণের জন্য ইউনিসেফের গুডউইল অ্যাম্বাসাডরের দায়িত্বও পেয়েছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া।

তবে শুধু দায়িত্বই নয়, দায়িত্ব পালনও বটে। তাই জন্যই তিনি প্রায়ই পৃথিবীর নানা প্রান্তের বিভিন্ন জায়গায় যান, যেখানে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে শিশুরা খুবই কষ্টে থাকে। অবহেলায় থাকে, অনটনে থাকে। বেঁচে থাকার লড়াই যেখানে যত তীব্র, সেখানেই তিনি বারবার পৌঁছে গিয়েছেন হাসিমুখে। সময় কাটিয়েছেন বাচ্চাদের সঙ্গে। 

আজ, ২০ জুন বিশ্ব শরণার্থী দিবসে সেই সময়গুলোরই কোলাজ প্রকাশ করলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করে লিখলেন মন ছুঁয়ে যাওয়া বার্তাও। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি তাঁর সব ভক্তদের কাছে রাখলেন একটি বিশেষ অনুরোধ— বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যে সব শরণার্থী শিশুরা রয়েছে, তাদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্যে।

দেখুন সেই ভিডিও এবং পোস্ট।

View this post on Instagram

The truth is quite simple…the future of this world lies in the hands of the children of today. But the harsh reality is that there is an entire generation of innocent children growing up right now without any prospects for thier future…these children are affected by displacement due to serious conflict and emergencies in thier various regions. When families are forced to leave their homes due to violence, persecution, and natural disasters, they are torn apart and it's the children that end up suffering the most. The numbers are staggering, yes…but we have to continue to stand for them, in whatever capacity we can as individuals. They are the future and we need to help. Join me and @unicef by clicking the link in my bio to help keep refugee children safe. #AChildIsAChild #WorldRefugeeDay

A post shared by Priyanka Chopra Jonas (@priyankachopra) on

প্রিয়াঙ্কা লিখেছেন, “সত্যিটা খুবই সহজ। বিশ্বের ভবিষ্যত্‍ আজকের শিশুদের হাতেই। কিন্তু কঠিন বাস্তব অন্য চিত্র দেখাচ্ছে, যেখানে এই প্রজন্মের বহু নিষ্পাপ শিশু নিরাপদ ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি ছাড়াই বড় হচ্ছে। বিভিন্ন দেশে ঘটে যাওয়া নানা অশান্তি এবং যুদ্ধের জন্যে এরা বাধ্য হচ্ছে নিজেদের বাসভূমি ছেড়ে অন্য দেশে পাড়ি দিতে। পরিবারের সঙ্গে এই বিচ্ছেদের ভয়াবহ প্রভাব পড়ছে ছোট ছোট মনে।”

তিনি আরও লেখেন, “ওদের সংখ্যাটা বাড়ছে। ওরাই তো এই পৃথিবীর ভবিষ্যত্‍। তাই ওদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের কর্তব্য।”

Comments are closed.