১ জুন থেকে কী হবে? লকডাউনের ভবিষ্যৎ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীদের বক্তব্য মোদীকে জানালেন শাহ

শুক্রবারের এই বৈঠকের আগে বৃহস্পতিবার দেশের সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন অমিত শাহ। কোন রাজ্য এর পরে কোন পথে হাঁটতে চাইছে তা মুখ্যমন্ত্রীদের থেকে জানেন শাহ। সেসব শোনার পরে এদিন প্রধানমন্ত্রীকে তিনি তা জানান বলে জানা গিয়েছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: চতুর্থ দফার লকডাউন শেষ হচ্ছে ৩১ মে। এর পরে কী হবে? পয়লা জুন থেকে কি দেশজুড়ে পঞ্চম দফার লকডাউন শুরু হবে? নাকি, বাছাই এলাকায় লকডাউন রেখে অন্যত্র বিধিনিষেধে ছাড় দেওয়া হবে?

    এই সব প্রশ্নই এখন গোটা দেশের মানুষের কাছে। ইতিমধ্যেই কিছু রাজ্য লকডাউন বাড়ানোর ভাবনার কথা জানিয়েছে। হিমাচল প্রদেশে ৩০ জুন পর্যন্ত রাজ্যে লকডাউন বাড়িয়েও দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জরুরি বৈঠক করলেন। জানা গিয়েছে, চতুর্থদফার লকডাউন শেষ হওয়ার দু’দিন আগে হওয়া এই বৈঠকে মূলত এর পরে কোন পথে চলা হবে সে ব্যাপারেই আলোচনা করা হয়েছে।

    শুক্রবারের এই বৈঠকের আগে বৃহস্পতিবার দেশের সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন অমিত শাহ। কোন রাজ্য এর পরে কোন পথে হাঁটতে চাইছে তা মুখ্যমন্ত্রীদের থেকে জানেন শাহ। সেসব শোনার পরে এদিন প্রধানমন্ত্রীকে তিনি তা জানান বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন

    ২৪ ঘণ্টায় কোভিড পজিটিভ ৭৪৬৬, এখনও পর্যন্ত সর্বাধিক, ভারতে মোট আক্রান্ত ১,৬৫,৭৯৯

    এদিন সকালে প্রধানমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈঠকের আগেই স্বাস্থ্যমন্ত্রক যে রিপোর্ট দিয়েছে তাতে স্বস্তিতে নেই দেশ। এখন প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এদিন সকাল পর্যন্ত ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা মোট ১,৬৫,৭৯৯। কোভিড-১৯ সংক্রমণে এ যাবৎ দেশে মৃত্যু হয়েছে ৪,৭০৬ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৭,৪৬৬ জন। এখনও পর্যন্ত এটাই সর্বাধিক। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যুও হয়েছে ১৭৫ জনের। মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়, দিল্লি, গুজরাতের পরিস্থিতি ক্রমশই খারাপের দিকে। দেশের বাকি সব রাজ্যেও পরিযায়ী শ্রমিক ফেরা শুরু হতে আক্রান্তের সংখ্যাও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। এমন সময়ে লকডাউন পুরোপুরি তুলে দেওয়া ঠিক হবে না বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    চার দফায় দু’মাসের বেশি সময় লকডাউন চলছে গোটা দেশে। কোনও কোনও এলাকায় কিছু কিছু ছাড় দেওয়া হলেও এখন প্রায় বন্ধ দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। এখনও চালু হয়নি লোকাল ট্রেন পরিষেবা। সামান্য কিছু প্যাসেঞ্জার ট্রেন চলছে। অন্যদিকে, দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। আর তা নিয়ে বিরোধীদের আক্রমণেও বিদ্ধ হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই পরিস্থিতিতে ১ জুন থেকে দেশ কোন পথে হাঁটবে তা ঠিক করা নিয়ে রীতিমতো চাপে রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এদিন প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈঠকে কোনও সিদ্ধান্ত হয়েছে কিনা সে ব্যাপারে অবশ্য এখনও পর্যন্ত কোনও ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More