শুক্রবার, অক্টোবর ১৮

গায়ে টকটকে লাল পাঞ্জাবি, ভিন্টেজ গাড়ি চেপে পার্থ গেলেন সিঁদুর খেলায়

দ্য ওয়াল ব্যুরো: অন্য সাজে শিক্ষামন্ত্রী তথা তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। অন্য মুডেও বটে। নেই কোনও গুরুগম্ভীর রাজনৈতিক ভাষণ। নেই বিরোধীদের উদ্দেশে ছুড়ে দেওয়া তীক্ষ্ণ বাক্যবাণ। রাজকীয় পোশাক গায়ে, সিংহাসনে বসে নাকতলা উদয়ন সঙ্ঘের মণ্ডপে একাদশীর দিন সিঁদুর খেলা দেখলেন তিনি।

অফ হোয়াইট রঙের ব্লক প্রিন্টেড ধুতি, টকটকে লাল সিল্কের পাঞ্জাবি, পায়ে লাল নাগরাই আর কাঁধ থেকে পা ছুঁয়ে যাওয়া লম্বা উত্তরীয়। বাড়ি থেকে মণ্ডপে গেলেন শতাব্দী প্রাচীন গাড়িতে চেপে।

সাধারণত সারা বছর পাঞ্জাবি এবং পাজামা পরিহিত হয়েই দেখা যায় পার্থবাবুকে। ধুতি সচরাচর তিনি পরেন না। এ দিন লাল পাঞ্জাবির সঙ্গে নকশা করা ধুতি পরে সেকথা স্বীকারও করে নিলেন শিক্ষামন্ত্রী। তাঁর কথায়, “এই নিয়ে জীবনে তিনবার ধুতি পরলাম। প্রথম পরেছিলাম বিয়েতে, দ্বিতীয়বার পরেছিলাম মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার সময়(২০১১ সালে), আর এই পরলাম।”

নাকতলা উদয়ন সঙ্ঘের উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, পুজোর অন্যতম পৃষ্ঠপোষক পার্থবাবুকে বিশেষ সম্মান দিতেই এই ব্যবস্থা করেছিল ক্লাব। যেহেতু নাকতলা উদয়ন সঙ্ঘ গত কয়েক বছর ধরে রেড রোডের কার্নিভালে অংশ নেয়, সেহেতু আলাদা করে আর বিসর্জনের পর্ব থাকে না। তাই সিঁদুর খেলার মধ্যে দিয়েই একাদশীর অনুষ্ঠান সেরে ফেলা হয়। সেখানে পার্থবাবু ছিলেন এ বারের অন্যতম আকর্ষণ। অষ্টমীতে জন্মদিন ছিল পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। ওই দিন বিশেষ কোনও অনুষ্ঠান হয়নি। তাঁর ঘনিষ্ঠরা এই অনুষ্ঠানকে আরও বেশি যত্নসহকারে করতে চেয়েছিলেন, যাতে দু’দিন দেরিতে হলেও দাদার জন্মদিনটা অন্যরকম ভাবে সেলিব্রেট করা যায়।

যদিও পার্থবাবুর ধুতি আর লাল পাঞ্জাবি পরা নিয়ে দলের মধ্যেই হাসি-মস্করা শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রবীণ এক মন্ত্রী তো বলেই দিয়েছেন, “আমি তো রোজ নিজে ধুতি পরি। ওইরকম একদিন নকল রাজা সাজার কী দরকার!”

Comments are closed.