বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১৪

অদ্ভুত সমাপতন, অযোধ্যা রায়ের দিনই কর্তারপুর করিডোর খুলছে পাকিস্তান

  • 61
  •  
  •  
    61
    Shares

দ্য ওয়াল ব্যুরো: অদ্ভুত সমাপতন। অযোধ্যার বিতর্কিত জমি মামলার রায়ের দিনই কর্তারপুর করিডোর খুলে দিল পাকিস্তান।  গুরু নানকের ৫৫০তম জন্মদিনে কর্তারপুর করিডোর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।  প্রথম তীর্থযাত্রী হিসাবে শিখ তীর্থস্থান কর্তারপুরে যাবেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং, অভিনেতা-রাজনীতিক সানি দেওল এবং দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ পুরী ও হরসিমরত কৌর বাদল।

কংগ্রেস নেতা নবজ্যোত সিং সিধুকেও ছাড়পত্র দিয়েছিল বিদেশমন্ত্রক।

পাকিস্তানের দিক থেকেও এই করিডোর উদ্বোধন করবেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।  সেখানে তারা পৃথক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

এদিনই অযোধ্যার বিতর্কিত জমি মামলার রায় দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত।  এই রায় দেওয়ার ক্ষেত্রে তথ্যপ্রমাণের উপরেই জোর দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে আদালত। রায় যাই হোক, শান্তি বজায় রাখার আবেদন জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভারতের দিকে প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল বিল্ডিংয়ের উদ্বোধন করবেন। এটিই ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট। উদ্বোধনের আগে সুলতানপুর লোধীতে বার সাহিব গুরুদ্বারে পুজো দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।

পাসপোর্ট থাকলে বিনা বাধায় কর্তারপুরে যেতে পারবেন ভারতীয়রা, শুধু কর্তারপুরে যাওরার জন্য অনুমতি (পারমিট) নিতে হবে।

অক্টোবর মাসেই কর্তারপুর করিডোর নিয়ে চুক্তি হয় ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে। সীমান্তে জিরো পয়েন্টে দুই দেশের প্রতিনিধিরা একটি চুক্তিতে সই করেছিলেন।

সাড়ে চার কিলোমিটার কর্তারপুর করিডোর পঞ্জাবের গুরদাসপুরে শিখদের পবিত্র তীর্থস্থান ডেরা বাবা নানক মন্দিরের সঙ্গে যুক্ত করছে পাকিস্তানের গুরদ্বার দরবার সাহিবকে।  ডেরা বাবা নানক পাকিস্তানের পাঞ্জাবের নারোওয়াল জেলায় অবস্থিত। শিখ ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা গুরু নানক জীবনের শেষ ১৮ বছর সেখানে কাটিয়েছিলেন। ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা দফতরের সচিব সিএল দাস বলেছিলেন, ভারতীয় এবং ভারতীয় বংশোদ্ভুত সব ধর্মের মানুষ এখন থেকে কর্তারপুর করিডোর ব্যবহার করতে পারবেন। পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ আশ্বাস দিয়েছে, লঙ্গরের ব্যবস্থা করা হবে। গুরুদোয়ারা চত্বরে প্রসাদ বিতরণ করা হবে।

করিডোর সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত খোলা থাকবে। যে তীর্থযাত্রীরা সকালে রওনা হবেন, তাঁদের ফিরতে হবে সেদিনের মধ্যেই। সারা বছরই করিডোর খোলা থাকবে। যদি কোনও দিন বন্ধ থাকে তা জানিয়ে দেওয়া হবে আগে। প্রতিদিন ভিসা ছাড়া অন্তত পাঁচ হাজার তীর্থযাত্রী ওই করিডোর দিয়ে যেতে পারবেন।

Comments are closed.