সোমবার, নভেম্বর ১৮

ট্র্যাফিক আইন রক্ষার নামে চলবে না কোনও দুর্নীতি, নয়া উদ্যোগ নবান্নের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: এবার থেকে  রাজ্যের যে কোনও জায়গায়, রাস্তায় যানবাহন তল্লাশির সময়ে পুলিশের সঙ্গে পরিবহণ দফতরের আওতায় থাকা রোড ভেহিকল দফতরের ইনস্পেক্টরদেরও রাখতে হবে। এমনটাই বাধ্যতামূলক বলে নির্দেশ জারি করল নবান্ন। শুধু তা-ই নয়, নবান্ন জানিয়েছে, তল্লাশির সময়ে অফিসারদের উর্দি পরে থাকতে হবে, এবং সেই উর্দির গায়ে বডি ক্যামেরাও লাগিয়ে রাখা বাধ্যতামূলক।

তল্লাশির নামে সাধারণ মানুষের হয়রানি রুখতেই পুলিশ সুপারদের কাছে নবান্ন এই নির্দেশিকা পাঠিয়েছে বলে সূত্রের খবর। সারা রাজ‍্যের মোট ২৭টি জেলার পুলিশ সুপারদের পাশাপাশি, ৬টি পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনারদেরও এই নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, রাস্তায় ট্র্যাফিক নিয়ন্ত্রণে ও গাড়ি তল্লাশির সময়ে অকারণে গাড়ি চালক বা যাত্রীদের হয়রানি করা হয়, বিনা কারণে জরিমানাও নেওয়া হয়। অনেক সময়ে এমনও অভিযোগ ওঠে, নির্দিষ্ট জরিমানা ও তার বদলে দেওয়া রসিদের বদলে জোরজবরদস্তি করে টাকা বা ঘুষ আদায় করা হয়।

নবান্নের নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, এইসব অভিযোগ আটকাতেই পুলিশ সুপার বা সিপিদের বিভিন্ন এলাকায় ‘সারপ্রাইজ ভিজিট’ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা শহরের নানা প্রান্তে হঠাৎ পৌঁছে দেখবেন, কোনও অসঙ্গতি রয়েছে কি না। এর পাশাপাশি, সিভিক ভলান্টিয়ারদের দিয়ে যাতে রাস্তার ট্র্যাফিক নিয়ন্ত্রণ না করানো হয়, সেটাও বলা হয়েছে নির্দেশিকায়।

তবে শুধু পুলিশ সুপার বা সিপিরা নন। তাঁদের পাশাপাশি আইজি, ডিআইজিদের ও মাঝে মাঝেই বিভিন্ন এলাকায় পৌঁছে গিয়ে ট্র্যাফিক আইন তত্ত্বাবধান করার কথা বলা হয়েছে। ট্র্যাফিক নিয়ন্ত্রণের নামে পুলিশের একাংশের টাকা তোলার মতো দুর্নীতি আটকাতেই এই নির্দেশিকা বলে মনে করা হচ্ছে।

পড়তে ভুলবেন না…

Comments are closed.