মঙ্গলবার, জুন ২৫

স্বামী চান করে না, দাড়িও কামায় না, বিরক্ত হয়ে ডিভোর্স ঠুকে দিল স্ত্রী

দ্য ওয়াল ব্যুরো: “সপ্তাহে একবার চান করে স্বামী। ভালো করে দাড়িও কামায় না। দুর্গন্ধে বাড়িতে টেকা যায় না, ” স্ত্রীয়ের অভিযোগ শুনে চোখ কপালে উঠেছিল বিচারকের। ফ্যামিলি কোর্টে তখন মেলা লোকের ভিড়। বছর তেইশের যুবতীর তাতে ভ্রুক্ষেপ নেই। তাঁর সাফ জবাব, এমন গন্ধগোকুল স্বামীর সঙ্গে সংসার করা মোটেই সম্ভব নয়। অতএব ডিভোর্স চাই!

ঘটনা মধ্যপ্রদেশের ভোপালের। গত বছরই বিয়ে হয়েছে যুবতীর। স্বামীর বয়স ২৫ বছর। সম্বন্ধ করেই বিয়ে। প্রথম প্রথম বেশ ভালোই চলছিল। তারপরই শুরু হয় ঝামেলা। যুবতীর কথায়, বিয়ের পর পর স্বামী বেশ ঝকঝকেই থাকত। সমস্যা শুরু হয় মাস ছয়েক আগে। চান করতে যেতে নাকি ভারী অনীহা ছিল যুবকের। ঠেলেঠুলে পাঠালেও ব্যাপারটা কাকস্নানের পর্যায়তেই থেকে যেত। আর দাড়ি কামাতে গেলেই নাকি তাঁর গায়ে জ্বর আসত।

অতএব, দিনমানের একবার কাকস্নান এসে ঠেকল সপ্তাহে একবার। দাড়ি কামানো মাসে একবার। সব মিলিয়ে একমুখ দাড়িগোঁফের, অপরিচ্ছন্ন স্বামীকে চোখের সামনে দেখলেই রাগে গা রি রি করত যুবতীর।

ঝগড়া কাজিয়ায় চান-পর্বের সমাধান না মেলায়, শেষে ফ্যামিলি কোর্টে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা ঠুকে দেন যুবতী। বিচারক আরএন চাঁদ ছ’মাসের জন্য দু’জনকে আলাদা থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। এর মধ্যে কাউন্সেলিং চলবে দু’জনেরই।

কোর্ট কাউন্সিলর সাহিল অবস্তী জানিয়েছেন, স্বামী নিমরাজি হলেও স্ত্রী মোটেই আর থাকতে চাইছেন না একসঙ্গে। ওই যুবক সিন্ধি সম্প্রদায়ের, কিন্তু যুবতী ব্রাহ্মণ। এই বিয়ে নিয়ে দুই পরিবারের কোনও আপত্তি ছিল না। এখনও নাকি তাঁরা চাইছেন সব মিটে যাক। কিন্তু, যুবতী তাঁর সিন্ধান্তে অনড়। যে স্বামীর গায়ে এত গন্ধ তাঁর সঙ্গে ঘর করা, নৈব নৈব চ!

Comments are closed.