মুসলিমদের কেন অন্যত্র জমি দিতে বললেন বিচারপতিরা, রায়ে কী বলা হয়েছে জেনে নিন

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেড় শতক ধরে চলা অযোধ্যা মামলার রায় ঘোষণা করেছে সুপ্রিম কোর্ট। এই রায়ে জানানো হয়েছে অযোধ্যায় বিতর্কিত ২.৭৭ একর জমির মালিকানা আপাতত যাবে সরকারের হাতে। কেন্দ্র বা রাজ্য সরকার তিন মাসের মধ্যে একটি ট্রাস্ট বা অছি পরিষদ গঠন করে সেই জমির মালিকানা তাদের হাতে তুলে দেবে। সেই সঙ্গেই অযোধ্যায় বিতর্কিত জমির থেকে দূরে মসজিদ নির্মাণের জন্য পাঁচ একর জমি দিতে হবে সরকারকে।

    কিন্তু কী কারণে মন্দির নির্মাণের অনুমতি দিল সুপ্রিম কোর্ট। কেনই বা অন্য জায়গায় মসজিদ নির্মাণের জন্য পাঁচ একর জমি দেওয়া হল। কী বলছে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা?

    সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ জানিয়েছে, বিতর্কিত এই জমির মালিকানা চেয়ে হিন্দুদের তরফ থেকে যে তথ্যপ্রমাণ দাখিল করা হয়েছিল তা অনেক বেশি যুক্তিযুক্ত। এ দিন রায় ঘোষণার আগে পুরাতত্ত্ব বিভাগের সাক্ষ্য ও প্রমাণের কথা বিশদে তুলে ধরেন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, পুরাতত্ত্ব বিভাগ স্পষ্ট করে জানিয়েছে, অযোধ্যায় মসজিদ খালি জমির উপর নির্মিত হয়নি। তার আগে একটি কাঠামো সেখানে ছিল। তবে সেই কাঠামো আদৌ মন্দির ছিল কিনা তা স্পষ্ট করে বলেনি পুরাতত্ত্ব বিভাগ। প্রধান বিচারপতি এও বলেন, সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড জমির মালিকানা চেয়ে যে যুক্তি দিয়েছিল তার কোনও ভিত্তি পাওয়া যায়নি। মসজিদটি বাবরই বানিয়েছিলেন কিনা তাও স্পষ্ট নয়। আর তাই পুরাতত্ত্ব বিভাগের প্রমাণকে প্রাধান্য দিয়েই এই রায় শুনিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

    অন্যদিকে মসজিদ নির্মাণের জন্য মুসলিমদের অন্য জায়গায় পাঁচ একর জমি দেওয়ার পিছনেও যুক্তি দিয়েছে হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি জানান, “১৯৪৯ সাল থেকে এই বিতর্কিত জমির মালিকানা নিয়ে লড়ছে মুসলিমরা। অযোধ্যার ওই জমিতে মুসলিমরা প্রার্থনা করত এই প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে পুরাতত্ত্ব বিভাগের দাখিল করা তথ্যে। তাই মুসলিমদের ওই জমির অধিকার না দেওয়া হলেও তাদের মসজিদ তৈরির অধিকার না দেওয়া হলে সেটা ধর্মনিরপেক্ষ দেশের সংবিধানবিরোধী। তাই আইন মেনেই মুসলিমদের মসজিদ নির্মাণের জন্য পাঁচ একর জমি দেওয়া হয়েছে।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More